দেশের বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর সদস্যদের অতিরিক্ত বল প্রয়োগ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেছেন, ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। বল প্রয়োগ করতে গেলেও অত্যন্ত পেশাদারিত্বের মাধ্যমে যত কম বল প্রয়োগ করা যায় ততই ভালো।
গতকাল সোমবার সাভার সেনানিবাসের ফায়ারিং রেঞ্জে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফায়ারিং প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, আমরা ভেবেছিলাম, দ্রুত কাজ শেষ করে ক্যান্টনমেন্টে ফিরে যাব। কিন্তু কাজটা দীর্ঘদিন ধরে করে যেতে হচ্ছে। তাই আমাদের ধৈর্য রাখতে হবে এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজটা সম্পন্ন করতে হবে। দেশ ও জাতির জন্য আমাদের কাজ করে যেতে হবে এবং যতদিন পর্যন্ত না একটা নির্বাচিত সরকার পাই; আমাদের এই কাজ ধৈর্যের সঙ্গে করে যেতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সেনাপ্রধান। ফায়ারিং প্রতিযোগিতায় এবার প্রথম স্থান অর্জন করেন ৩৩ পদাতিক ডিভিশন; রানারআপ হয়েছে সাত ব্রিগেড ডিভিশন। সমাপনী অনুষ্ঠানে সাভার সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মঈন খানসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
.
উৎস: Samakal
এছাড়াও পড়ুন:
সুনামগঞ্জে পূর্ব বিরোধের জেরে সংঘর্ষে আহত ২০
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে পূর্ব বিরোধের জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। বুধবার বিকেলে উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের কালনীরচর গ্রামের এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালনীরচর গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুল হক ও একই গ্রামের স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য শওকত আলীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধ চলে আসছে। ওইসব বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে একাধিক মামলা মোকদ্দমাও রয়েছে।
সম্প্রতি একটি মামলায় ইউপি সদস্য শওকত আলীকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। ৮ দিন পর গত মঙ্গলবার জামিনে বের হন শওকত আলী। এরই জেরে বুধবার বিকেলে উভয় পক্ষের লোকজন বাগ্বিতণ্ডা ও পরে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আহতদের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ওসমানীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ ইমতিয়াজ ভূঞা বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।