সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কে গর্ত, ভেঙেছে রেলিং
Published: 24th, February 2025 GMT
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার মারিয়ালয়-শিমুলিয়া সংযোগ খালের ওপর সেতুর এক প্রান্তে ধীপুর ইউনিয়নের মারিয়ালয় গ্রাম। আরেক প্রান্তে কাঠাদিয়া শিমুলিয়া ইউনিয়নের শিমুলিয়া গ্রাম ও রহিমগঞ্জ বাজার। প্রতিদিন সেতুটি দিয়ে দুই ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। কিন্তু ১৭ বছরেও এটি সংস্কার করা হয়নি, ভেঙে গেছে রেলিং। দুই প্রান্তের অ্যাপ্রোচ সড়কে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।
এ অবস্থায়ই স্থানীয় বাসিন্দা ও যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছে। খালের ওপর জীর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে সেতুটি। আলদীবাজার-রহিমগঞ্জ বাজার সড়কের ওপর এটি নির্মাণ করা হয় ১৭ বছর আগে। এরপর সংস্কারের অভাবে সড়কটিও পুরোপুরি যানবাহন চলাচলের উপযোগী হয়নি। রেলিং ভেঙে পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়েছে।
শিমুলিয়া গ্রামের মো.
উপজেলা সদর বাজার থেকে শিমুলিয়া হয়ে রহিমগঞ্জ ও আলদি বাজার, লাখারণ, কাঠাদিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াতে সহজ পথ মারিয়ালয়-শিমুলিয়া-ধামারণ সড়কটি। স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ হোসেন বলছেন, এক সময় খালের ওপর কাঠের পুল ছিল। সেটি ভেঙে সেতু নির্মিত হলেও পরে সংস্কার করা হয়নি। ফলে ভেঙে গেছে দুই পাশের রেলিং। দুই পাশে অ্যাপ্রোচ সড়কও বেহাল।
সেতুটি সংস্কারের পদক্ষেপ না নেওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে বলে জানান ধামারণ গ্রামের কাজী আকরাম। তিনি বলেন, উপজেলা সদরে যাওয়ার সহজ পথ মারিয়ালয়-শিমুলিয়া-ধামারণ সড়ক। খালের ওপর নির্মিত সেতুটি অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে। উভয় প্রান্তের অ্যাপ্রোচ সড়কও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। এতে প্রায়ই দুর্ঘটনায় আহত হন গ্রামের বাসিন্দারা।
জানা গেছে, সেতুটি দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে রেলিং নষ্ট হয়েছে আগেই। পাশাপাশি জরাজীর্ণ অ্যাপ্রোচ সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে ছোট ছোট যানবাহন। সেতুর অদূরে শিমুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এ সেতু দিয়ে স্কুলে যাতায়াত করে। তাদের দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়।
স্কুল পরিচালনা কমিটির সাবেক সহসভাপতি আলমগীর শেখের ভাষ্য, স্কুলের প্রায় দেড়শ শিক্ষার্থী এ সেতু দিয়ে যাতায়াত করে। তাদের পারাপারের সময় আতঙ্কে থাকতে হয়। কাঠাদিয়া-শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান বলেন, ‘নিজের চোখেই সেতুর করুণ চিত্র দেখছি। শিগগির সংস্কারের জন্য কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করব।’
উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মোয়াজ্জেম বলেন, রেলিং ও অ্যাপ্রোচ সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই কাজ করবেন ঠিকাদার।
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: অ য প র চ সড়ক য ত য় ত কর খ ল র ওপর দ র ঘটন উপজ ল
এছাড়াও পড়ুন:
জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়, আনতে হবে না জায়নামাজ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন জাতীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে আটটায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। আজ শনিবার সকালে জাতীয় ঈদগাহের হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক শাহজাহান মিয়া।
ডিএসসিসির প্রশাসক বলেন, এবার দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস নেই। এরপরও কোনো কারণে আবহাওয়া খারাপ হলে জাতীয় ঈদগাহের পরিবর্তে সকাল নয়টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
মুসল্লিরা যাতে নির্বিঘ্নে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন, সে জন্য ঈদের জামাতের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সব প্রতিকূল পরিস্থিতি মাথায় রেখেই প্রস্তুতি শেষ হয়েছে বলে জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক। তিনি আরও বলেন, গত বছরের মতো এবারও আধুনিক ও সুসংগঠিত ব্যবস্থাপনায় ঈদের জামাতের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এবার জাতীয় ঈদগাহে ৩৫ হাজার মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করতে পারবেন বলে জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটির এই প্রশাসক। তিনি বলেন, সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন থাকবেন। মুসল্লিদের জন্য অজু করার জায়গা, শৌচাগার ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
ডিএসসিসির প্রশাসক জানান, জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় করার জন্য আরামদায়ক কার্পেট বিছানো হয়েছে। তাই কাউকে জায়নামাজ সঙ্গে আনতে হবে না। নারীদের নামাজ আদায়ের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসহায়তার জন্য দুটি মেডিকেল টিম থাকবে।