বন্দরে কার্গো ট্রাক থেকে ১০০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩
Published: 24th, February 2025 GMT
বন্দরে কার্গো ট্রাক তল্লাশী চালিয়ে ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ৩ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১।
গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারিরা হলো সুদূর সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানার ১নং ইসলামপুর ইউনিয়নের তৈয়মুর নগর এলাকার মৃত আব্দুর রশীদ মিয়ার ছেলে সুন্দর আলী (৩৭) একই জেলার একই থানার ৩নং ইসলামপুর ইউনিয়নের টুকেরগাঁও এলাকার মৃত সিদ্দিক মিয়ার ছেলে জাহিদ (২০) ও একই এলাকার ইকবাল মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে জুয়েল আহাম্মেদ (২৫)।
ফেন্সিডিল উদ্ধারের ঘটনায় র্যাব-১১ সিপিসি-১ নায়েব সুবেদার মোঃ হারুন অর রশিদ বাদী হয়ে সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) সকালে ধৃত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় মাদক আইনে মামলা রুজু করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের ওই দুপুরে মাদক মামলায় আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। এর আগে গত রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারী) রাতে বন্দর উপজেলার ঢাকা টু চট্টগ্রাম মহাসড়কের মদনপুরস্থ রাফি ফিলিং স্টেশনের সামনে ঢাকাগামী ঢাকা মেট্রো ট-২৪-৬৮৩৭ নাম্বারের কার্গো ট্রাকের সিটের নিচে তল্লাশী চালিয়ে উল্লেখিত ফেন্সিডিলসহ ওই ৩ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা জানায় আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য দীর্ঘদিন যাবত আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল।
উৎস: Narayanganj Times
কীওয়ার্ড: ন র য়ণগঞ জ
এছাড়াও পড়ুন:
পটকা ফোটানো নিয়ে সংঘর্ষে যশোরে কিশোর খুন
যশোরে পটকা ফোটানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অলিদ (১৯) নামে এক কিশোর খুন হয়েছে। আহত হয়েছে আরও ৪ কিশোর। সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার বিরামপুরে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, রাতের অন্ধকারে বিরামপুর ব্রিজের ওপর আপন, রাশেদুল ও শামীম নামে তনজন পটকাবাজি ফোটাচ্ছিল। এ সময় সেখান দিয়ে যাচ্ছিল অলিদ, পিয়াল, আরিফ ও মেহেদী নামে কয়েকজন। তারা দাবি করে, পটকা তাদের গায়ে পড়েছে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। এ সময় অলিদসহ অন্যরা আপন, রাশেদুল ও শামীমকে মারপিট ও ছুরিকাঘাত করে। খবর পেয়ে আপনের বাবা রিপন আলী সেখানে গেলে তাকেও ছুরি মেরে আহত করা হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে অলিদ গুরুতর আহত হয়।
পরে স্থানীয়রা আহত আপন, তার বাবা রিপন আলী, শামীম, অলিদ ও রাশেদুলকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় অলিদ। আহতদের মধ্যে রাশেদুলকে খুলনা মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়েছে। এছাড়া আপন, তার বাবা রিপন আলী ও শামীম যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
যশোর কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসনাত জানান, পটকা ফোটানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মারামারিতে একজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছে। হত্যায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।