ঈশ্বরদীতে পরচুলা তৈরির কারখানা করবে চীনা কোম্পানি
Published: 24th, February 2025 GMT
বাংলাদেশে পরচুলা তৈরির কারখানা স্থাপন করবে চীনা মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ হাইজিনটোন হেয়ার প্রোডাক্টস কোম্পানি লিমিটেড। ঈশ্বরদী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় (ইপিজেড) এই কারখানা স্থাপন করা হবে।
এ কারখানা স্থাপনে চীনা প্রতিষ্ঠানটি ৩৮ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার বা প্রায় ৪৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) বিনিয়োগ করবে। এখানে বছরে ৬৯ লাখ ৮০ হাজার পিস পরচুলা ও চুলসংশ্লিষ্ট পণ্য তৈরি হবে। এখানে কর্মসংস্থান হবে ১ হাজার ৪৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিকের।
আজ সোমবার রাজধানীর গ্রিন রোডে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) নির্বাহী দপ্তরে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়। বেপজার সদস্য (প্রকৌশল ও বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো.
বেপজা জানিয়েছে, এটি হতে যাচ্ছে ঈশ্বরদী ইপিজেডে পরচুলা ও চুলসংশ্লিষ্ট পণ্য প্রস্তুতকারী চতুর্থ কোনো প্রতিষ্ঠান। ইতিমধ্যে একই ধরনের পণ্য উৎপাদনকারী আরও তিনটি কারখানা ওই ইপিজেডে উৎপাদনে রয়েছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, সদস্য (অর্থ) আ ন ম ফয়জুল হক, নির্বাহী পরিচালক মো. তানভীর হোসেন, মো. খুরশিদ আলম, মো. তাজিম-উর-রহমান ও এ এস এম আনোয়ার পারভেজ এবং চীনা প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
বিবিসির সাংবাদিককে গ্রেপ্তারের পর ফেরত পাঠাল তুরস্ক
যুক্তরাজ্যের সরকারি সংবাদমাধ্যম ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের (বিবিসি) সাংবাদিক মার্ক লোয়েনকে গ্রেপ্তারের পর ফেরত পাঠিয়েছে তুরস্ক। তিনি দেশটিতে কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভের খবর সংগ্রহ করছিলেন। লোয়েনকে ফেরত পাঠানোর ঘটনাকে বিবিসি অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছে।
বিবিসি বলেছে, লোয়েনকে বুধবার ইস্তাম্বুলে গ্রেপ্তার করা হয়। চলমান বিক্ষোভের খবর সংগ্রহে কয়েক দিন তিনি সেখানে অবস্থান করছিলেন। গত সপ্তাহে ইস্তাম্বুলের মেয়র একরেম ইমামোগলুকে গ্রেপ্তারের পর এই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
এক বিবৃতিতে বিবিসি বলেছে, ‘আজ (বুধবার) সকালে বিবিসি নিউজের প্রতিবেদক মার্ক লোয়েনকে ইস্তাম্বুল থেকে ফেরত পাঠিয়েছে তুরস্কের কর্তৃপক্ষ। যে হোটেলে তিনি অবস্থান করছিলেন, সেখান থেকে আগের দিন তুলে এনে তাঁকে ১৭ ঘণ্টা আটক রাখা হয়। সাম্প্রতিক বিক্ষোভের খবর সংগ্রহে মার্ক লোয়েন তুরস্কে অবস্থান করছিলেন। আইনশৃঙ্খলার জন্য হুমকি হওয়ায় তাঁকে তুরস্ক ছাড়তে বলা হয়।’
দেশজুড়ে চলা সাম্প্রতিক বিক্ষোভে ১ হাজার ৮৫০ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে তুরস্কের ১১ জন সাংবাদিকও রয়েছেন।
আরও পড়ুনতুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের প্রতিদ্বন্দ্বী কে এই একরেম ইমামোগলু২৬ মার্চ ২০২৫রোববার রাতে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের ব্যাপকতা বাড়ে। এ সময় কিছু বিক্ষোভকারীকে লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ছোড়ে পুলিশ। এর আগে ২০ মার্চ বিক্ষোভ দমনে পিপার স্প্রে ও জলকামান ব্যবহার করা হয়।
ইমামোগলুকে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করা হয়। তাঁকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। গ্রেপ্তারের পর ইমামোগলুকে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিজেদের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টি (সিএইচপি)।