কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
Published: 24th, February 2025 GMT
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির পাঁচ সদস্যের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি পূর্ণাঙ্গ করে ৪১ সদস্যবিশিষ্ট করা হয়েছে। আজ সোমবার বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে পূর্ণাঙ্গ কমিটির তথ্য জানানো হয়। এর ২৩ দিন আগে ২ ফেব্রুয়ারি আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল।
কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহেরকে (সুমন)। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদকের পদে আছেন। এ ছাড়া সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আশিকুর রহমান মাহমুদকে। তিনি সর্বশেষ কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।
৪১ সদস্যের কমিটিতে ১১ জনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। বাকিরা সবাই সদস্য। কমিটির প্রথম সদস্য করা হয়েছে সদ্য বিলুপ্ত হওয়া কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমিন উর রশিদকে। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক।
প্রথমে আংশিক কমিটিতে দুজনকে যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাঁরা হলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এবং কুমিল্লা মহানগর বিএনপির প্রথম আহ্বায়ক মো.
দলীয় সূত্র জানায়, জেলার ১৭টি উপজেলার মধ্যে দক্ষিণের ১০টি উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক ইউনিট। ২০২২ সালের ৩০ মে ৪১ সদস্যবিশিষ্ট কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে আমিন উর রশিদকে আহ্বায়ক এবং জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিনকে সদস্যসচিব করা হয়। এ ছাড়া নয়জনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে বাকিদের সদস্য করা হয়। ওই কমিটি দীর্ঘ দুই বছর সাত মাস দায়িত্ব পালন করে। সর্বশেষ গত ২ জানুয়ারি রাতে ওই কমিটি বিলুপ্ত হয়।
নবঘোষিত কমিটির আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ইচ্ছায় আমাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমি চেষ্টা করব সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য। আমরা প্রথম লক্ষ্য দক্ষিণ জেলার আওতাধীন উপজেলাগুলোর সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি করা। দীর্ঘদিন অনেক উপজেলায় সম্মেলন হয়নি। এরপর দক্ষিণ জেলার সুন্দর একটি সম্মেলন উপহার দেওয়া।’
সদস্যসচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের প্রধান লক্ষ্য দক্ষিণ জেলা বিএনপির আওতাধীন প্রতিটি উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপিকে শক্তিশালী করা। দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা প্রতিটি উপজেলা ও পৌরসভায় সম্মেলন করতে চাই। এতে সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল হবে।’
উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: ব এনপ র কম ট র ক কম ট কম ট ত উপজ ল সদস য প রথম
এছাড়াও পড়ুন:
নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমূল সংস্কার দরকার: আখতার হোসেন
নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সর্বস্তরে আমূল সংস্কার করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
তিনি বলেন, “গণহত্যার বিচার এ সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই বিচার বিলম্বিত হলে ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদ আবারো মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে এবং রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করবে। তাই দেশ থেকে গণহত্যার সংস্কৃতি নির্মূল করতে হলে ফ্যাসিবাদের দোসর আওয়ামী লীগের বিচার দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।”
বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় রংপুর জেলা পরিষদ হলরুমে এনসিপির উদ্যোগে ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনীতিবিদ, ছাত্র-জনতা, শ্রমিক, পেশাজীবী ও বিশিষ্ট নাগরিকদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
আখতার হোসেন বলেন, “উত্তরাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সর্বক্ষেত্রে বঞ্চিত হয়েছে। সেই বঞ্চনা দূর করতে বিপ্লব পরবর্তী জাতীয় নাগরিক পার্টি নতুন বন্দোবস্ত নিয়ে হাজির হয়েছে।’’
তিনি বলেন, ‘‘আগামী দিনে বিচারিক কার্যক্রম সহজ করতে রংপুরে হাইকোর্টের আঞ্চলিক সেবা চালু করা এবং শ্রমঘন শিল্পায়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে এনসিপি।”
এ সময় আখতার হোসেন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং দলের নেতাকর্মীদের নতুন পরিকল্পনার বার্তা সর্বত্র পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।
ঢাকা/আমিরুল/রাজীব