নড়াইলে অস্ত্রসহ ১৭ মামলার আসামি ধলা বাবুল ও তার ভাই গ্রেপ্তার
Published: 24th, February 2025 GMT
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার মল্লিকপুর ইউপি’র মঙ্গলহাটা গ্রামে একটি বিদেশি পিস্তলসহ ১৭ মামলার আসামি বাবুল শেখ ওরফে ধলা বাবুল (৪২) ও তার ছোট ভাই বিপুল শেখ (৩৫) পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে।
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার কুন্দসী গ্রাম থেকে এই দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করে লোহাগড়া থানা পুলিশ।
তারা মঙ্গলহাটা গ্রামের মৃত দেলোয়ার শেখের ছেলে।
পুলিশ জানায়, রবিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে লোহাগড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন হাওলাদার ও মামুন এবং সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ইলিয়াস ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে ধলা বালুল ও তার ভাই বিপুলকে গ্রেপ্তার করেন। এসময় তাদের কাছ থেকে একটি নাইন এমএম বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন ও ৬ রাউন্ড গুলি জব্দ করে পুলিশ।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে লোহাগড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন হাওলাদার জানান, ধলা বাবুলের নামে ১৪টি মাদক মামলাসহ মোট ১৭টি মামলা রয়েছে।
ঢাকা/শরিফুল/টিপু
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
নীলফামারীতে পুলিশ-সেনা সদস্যদের যৌথ টহল অব্যাহত
নীলফামারীতে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ঈদের পরও সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং পুলিশের যৌথ টহল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) ঈদের পরের দিনে সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে নীলফামারী সদরের উত্তরা ইপিজেড, সৈয়দপুর বাসটার্মিনাল, শুটকির মোড় ও পাঁচ মাথা মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তি, হেলমেট ও লাইসেন্সবিহিন মোটরসাইকেল আরোহী, নছিমন, ভটভটি, প্রাইভেটকার ও বাসে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করে।
নীলফামারীতে সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফাহিম এহসান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার ওমর ফারুক এবং সৈয়দপুরে সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার মোস্তফা মজুমদারের নেতৃত্বে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
আরো পড়ুন:
প্রধান উপদেষ্টাকে ঈদ-নিরাপত্তার বিষয়ে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান
সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে: তারেক রহমান
এ সময় নীলফামারীর ইপিজেড পয়েন্টে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) প্রশান্ত রায় ও সৈয়দপুর পয়েন্টে এসআই সুজন উপস্থিত ছিলেন।
সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফাহিম এহসান জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নীলফামারীতে জনগণের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনা সদস্যরা ঈদের পরও নিরলসভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। যৌথ বাহিনীর চেকপোস্ট পরিচালনার মুল উদ্দেশ্য হলো সচেতনতা বৃদ্ধিসহ মানুষ যেন নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে এবং দুষ্কৃতিকারীদের তৎপরতা সীমিত রাখা যায়।
সেনাবাহিনী সুত্র জানায়, গত ২ মার্চ থেকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ বিভিন্ন ধরনের চেকপোস্ট ও তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এ পর্যন্ত দুই উপজেলায় ২৫২টি মামলায় ৮ লাখ ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এরমধ্যে নীলফামারীতে ১৪২টি মামলায় ৪ লাখ ৭০ হাজার ৬০০ টাকা এবং সৈয়দপুরে ১১০টি মামলায় ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৯০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার মোস্তফা মজুমদার জানান, কার্যক্রমের ফলে জনগণের মাঝে আরো তৎপরতা ও সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। চেকপোস্টের মাধ্যমে যানবাহনে লাইসেন্স না থাকায় ব্যবস্থা নেওয়া এবং হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল আরোহীদের সতর্ক করা হয়।
এছাড়াও বাস, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হয়।
ঢাকা/সিথুন/বকুল