দেশের শ্রোতাপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। নতুন গান প্রকাশের পাশাপাশি সম্প্রতি টিভিতে একটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন তিনি। এবার নিজের ভক্ত-শ্রোতার জন্য নিজের গাওয়া পুরোনো সাতটি গান নতুন সংগীতায়োজন করছেন তিনি। ফলে নতুন আঙ্গিকে প্রকাশ হবে তাহসানের পুরোনো সাত গান।

 তাহসান বলেন, ‘আমি সবসময় চেয়েছি আমার সৃজনশীল কাজগুলো আমার নিয়ন্ত্রণেই থাকুক। আমার গাওয়া পুরোনো সাতটি গান তাই আবারও নতুন করে গাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। কারণ, আমি চাই সেগুলো নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপিত হোক। যেসব গান করব সেগুলো অনেক হিট হয়েছিল তেমন নয়, কিন্তু আমার খুব প্রিয় গান। আবার এর মধ্যে অনেক হিট গানও রয়েছে, দেখা গেল সেগুলোর অ্যারেঞ্জমেন্ট আমার মনোপূত হয়নি। তাই গানগুলো আমার নিজের মতো করে শ্রোতার কাছে উপস্থাপন করার উদ্যোগ নিয়েছি।’

 তাহসানের সেই গানগুলো হচ্ছে– ‘একটাই তুমি’, ‘মন কারিগর’, ‘কেউ না জানুক’, ‘চাইলে আমার’, ‘তোমার আমার’, ‘বৃষ্টিতে প্রাকৃতিক’, ‘প্রেমাতাল’। এর মধ্যে ‘চাইলে আমার’ ও ‘তোমার আমার’ গান দুটিকে ম্যাশআপ করে একটি গান হিসেবে প্রকাশ করা হবে। তাহসান জানিয়েছেন, এরই মধ্যে সংগীতায়োজনসহ সব কাজ শেষ। 

এদিকে ভালোবাসা দিবসে প্রকাশ হয়েছে তাহসানের গাওয়া ‘জনম জনম’ শিরোনামের একটি সিনেমার গান। ঈদে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ‘জংলি’ সিনেমার জন্য গানটি গেয়েছেন তিনি। এ ছাড়া তিনি জানিয়েছেন, ‘দাগি’ নামে একটি সিনেমার জন্যও গান করবেন তিনি।

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

স্ত্রীকে খুনের পর পালাল স্বামী, পুলিশ বলছে পারিবারিক কলহ

পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর পালিয়েছে স্বামী। বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের চাড়ালকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ছুরিকাঘাতে নিহত সীমা আক্তার কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বাসিন্দা মাহমুদুল হক করিমের স্ত্রী। তার বাবার বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে তাদের দুজনের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে সীমা আক্তারকে ছুরিকাঘাত করে তার স্বামী মাহমুদুল হক। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে তিনটার দিকে মারা যান।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান বলেন, মাহমুদুল হক উপজেলার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের পিএইচপি গ্লাস তৈরির কারখানায় চাকরি করেন। সেই সুবাদে স্ত্রী সীমা আক্তারকে নিয়ে কারখানা কাছাকাছি চাড়ালকান্দি এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতে শুরু করেন। রাতে কলহের জের ধরে স্ত্রী সীমা আক্তারকে ছুরিকাঘাত করেন মাহমুদুল হক।

আহত সীমার আত্মচিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় মাহমুদুল হক পলাতক রয়েছেন।

সম্পর্কিত নিবন্ধ