শিল্প মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব ওবায়দুর রহমান
Published: 23rd, February 2025 GMT
শিল্প মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ওবায়দুর রহমান।
রোববার তাকে সচিব পদে পদোন্নতির পর এ নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
ওবায়দুর রহমান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ (এপিডি) অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
এর আগে, ২০ ফেব্রুয়ারি শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ায় তাকে এ শাস্তি দেওয়া হয়েছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।
.উৎস: Samakal
এছাড়াও পড়ুন:
২৫ বছর আগের ক্রিকেট–কাঁপানো সেই কেলেঙ্কারি
অন্য অনেকের মতো হান্সি ক্রনিয়েরও ঘৃণিত হওয়ার কথা ছিল। ম্যাচ গড়াপেটা, পাতানো—এসবের সঙ্গে কোনো ক্রিকেটার জড়িত হলে তাঁকে কে পছন্দ করবে? ক্রনিয়ে জড়িয়েছিলেন। কিন্তু কেন জানি তিনি ঘৃণিত নন। অশ্রদ্ধা? বুকে হাত দিয়ে এটাও খুব বেশি ক্রিকেট সমর্থক বলতে পারবে না।
অথচ ক্রনিয়ে নিজে স্বীকার করেছিলেন, জুয়াড়িদের কাছ থেকে অর্থ নিয়েছেন তিনি। সরাসরি ম্যাচ পাতাননি, কিন্তু ম্যাচ-পূর্ববর্তী খবরাখবর ফাঁস করেছিলেন। অর্থের লোভে সতীর্থদের প্রস্তাব দিয়েছিলেন খারাপ খেলার জন্য! এত কিছুর পরও ক্রনিয়ের জন্য একটা দুর্বল জায়গা আছে ক্রিকেট সমর্থকদের মনে। দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষের মনে তো অবশ্যই। নইলে কি আর ‘সর্বকালের সেরা ১১ দক্ষিণ আফ্রিকান’-এর একজন হিসেবে তাঁকে বেছে নেয় তারা! তা-ও আবার তাঁর রহস্যজনক মৃত্যুর দুই বছর পর!
২৫ বছর আগে ঠিক এই দিনে, মানে ৭ এপ্রিল, দিল্লি পুলিশ দাবি করল, ভারতীয় এক জুয়াড়ির পাল্লায় পড়ে ম্যাচ পাতানোয় ভূমিকা রেখেছিলেন ক্রনিয়ে। এর আগপর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক ছিলেন ‘ক্রিকেট–বিশ্বের ভদ্রলোক’। যান্ত্রিক দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটে যেন প্রাণ সঞ্চার করেছিলেন তিনি। দেখিয়েছিলেন অধিনায়কত্ব কতটা দারুণ, কতটা আধুনিক হতে পারে। কিন্তু ওই যে পাতানো ম্যাচের অভিযোগ আর তাতে স্বীকারোক্তি, সে কারণে ২০০০ সালের অক্টোবরে ক্রিকেট থেকে আজীবন নিষিদ্ধ করা হয় ক্রনিয়েকে।
২০০০ সালের ৭ এপ্রিল। দিল্লি পুলিশের এক বিস্ফোরক অভিযোগ নাড়িয়ে দেয় ক্রিকেট–বিশ্বকে। তারা দাবি করে, দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক হান্সি ক্রনিয়ে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত। এক জুয়াড়ির সঙ্গে ফিক্সিং নিয়ে তাঁর কথোপকথনের টেপ আছে তাদের কাছে। অভিযোগটা ছিল এমন একজনের বিরুদ্ধে, যা বিশ্বাস করা খুবই কঠিন। শুরুতে অনেকেই বিশ্বাস করেওনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয় সেই অভিযোগের। তখনো ক্রনিয়ের পক্ষেই বেশির ভাগ ক্রিকেটপ্রেমী। ক্রনিয়ে নিজেও অভিযোগ অস্বীকার করেন। সংবাদ সম্মেলন করে তখনকার ইউনাইটেড ক্রিকেট বোর্ড অব সাউথ আফ্রিকার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী ব্যাখার তাঁর দলের অধিনায়কের ওপর পুরো আস্থা আছে বলে জানিয়ে দেন।
কিং কমিশনের সামনে শুনানিতে ক্রনিয়ে