ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে দুদকের কাজের কোনো সম্পর্ক নেই
Published: 22nd, February 2025 GMT
সমকাল: নতুন বছরে আপনাদের কর্মপরিকল্পনা কী?
মো. নাজমুচ্ছায়াদাত: অতীতেও দুদক দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নিয়ে কাজ করেছে। এখনও করছে। বিগত সরকারের সময় দুর্নীতি করে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জন করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। ব্যাংকিং খাতের দুর্নীতির ওপর বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
সমকাল: দুর্নীতি মামলার বিচার ধীরগতিতে হওয়ার কারণ কী মনে করেন।
মো.
সমকাল: দুদকের অনেক কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিতে আসতে গড়িমসি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে, এ প্রসঙ্গে কিছু বলবেন।
মো. নাজমুচ্ছায়াদাত: সুনির্দিষ্টভাবে আসলে এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য আমার জানা নেই। আমি বিষয়টি প্রসঙ্গে খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেব। তবে পুরোনো অনেক অফিসার অবসরে যাওয়ায় তার হয়তো আসতে সময় লাগতে পারে। কিন্তু চাকরিরত অবস্থায় কোনো কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিতে না আসার সুযোগ নেই।
সমকাল: ক্ষমতার পালাবদলে দুদকের লক্ষ্যও কি পরিবর্তন হয়ে যায়?
মো. নাজমুচ্ছায়াদাত: দেখুন, দুদক একটি স্বাধীন স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। একটি বিশেষায়িত আইনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে দুদকের কাজের কোনো সম্পর্ক নেই।
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: সমক ল
এছাড়াও পড়ুন:
শোলাকিয়া ঈদগাহে নামাজ পড়তে এক দিন আগেই চলে আসেন অনেকে
মো. সুরুজ আলীর বয়স ৮৫ বছর। পাকিস্তান আমল থেকে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে নামাজ পড়তে আসেন তিনি। তাঁর বাড়ি ময়মনসিংহের তারাকান্দা এলাকায়। প্রতিবারের মতো এবারও এক দিন আগেই তিনি শোলাকিয়ায় নামাজ পড়তে চলে এসেছেন। সুরুজ আলী জানান, বড় মাঠে বেশি সওয়াব ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় তিনি প্রায় ৬৫ বছর আগে থেকে শোলাকিয়ায় আসছেন। প্রতিবারই এক-দুই দিন আগেই তিনি কিশোরগঞ্জে এসে মাঠের আশপাশে থাকেন। এবার শোলাকিয়া বাগে জান্নাত গোরস্তান মসজিদে গতকাল রোববার থেকে অবস্থান নেন।
শুধু সুরুজ আলী নন, দেশের নানা প্রান্ত থেকে এ রকম কয়েক শ লোক শোলাকিয়ায় নামাজ পড়তে এক থেকে দুই দিন আগেই চলে আসেন। কেউ আবার দূর থেকে দুই-তিন দিন আগেও চলে আসেন। তেমনি চট্টগ্রামের বাঁশখালী থেকে মফিজুর রহমান নামের আরেকজন গত শনিবার সকালেই কিশোরগঞ্জে চলে আসেন। তিনি জানান, তিনি পূর্ব আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিক প্রবাসী। ২০-২৫ বছর থেকে তাঁর ইচ্ছা ছিল শোলাকিয়ার ঈদগাহে নামাজ পড়বেন। কিন্তু দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকায় সময়–সুযোগ হয়ে ওঠে না। তাই এবার মোজাম্বিক থেকে নিয়ত করেই দেশের বাড়িতে আসেন এবং সেখান থেকে শোলাকিয়ায় চলে আসেন।
বাগেরহাট থেকে মো. ইব্রাহীম নামের একজন শিক্ষক তাঁর ভাই মোস্তফাকে নিয়ে গতকাল শোলাকিয়া বাগে জান্নাত মসজিদে এসে ওঠেন। ফজর আলী নামের আরেকজন নাটোর সদর থেকে এসেছেন। একসময় দূর থেকে আসা মুসল্লিরা সবাই শোলাকিয়া মাঠের মিম্বরেই অবস্থান করতেন। কিন্তু ২০১৬ সালে ঈদুল ফিতরের দিন শোলাকিয়া মাঠের অদূরে জঙ্গি হামলার কারণে নিরাপত্তার স্বার্থে এখন আর কাউকে মাঠের ভেতর থাকতে দেওয়া হয় না। যার কারণে প্রশাসন থেকে শোলাকিয়া বাগে জান্নাত গোরস্তান মসজিদ, পার্শ্ববর্তী আজিম উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়সহ কয়েকটি জায়গায় দূরের মুসল্লিদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়।
রোববার রাতে শোলাকিয়া বাগে জান্নাত গোরস্তান মসজিদে অনেক মুসল্লি অবস্থান করেন