নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী দিতি ও সোহেল চৌধুরী কন্যা লামিয়া চৌধুরী।  শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বেলা তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। পৈতৃক সম্পত্তিতে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন বলে প্রথম আলোকে জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে হামলার ঘটনার সময় লামিয়া চৌধুরী তাঁর ফেসবুক থেকে লাইভ করেছেন। সেখানে দেখা যায়, বেশ কয়েকজন লোক উত্তেজিত হয়ে তেড়ে আসছেন লামিয়া ও তাঁর নিকটাত্মীয়দের দিকে। লামিয়া জানালেন, সন্ত্রাসীরা তাঁদের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছুড়েছে। গাড়ির গ্লাস ভেঙে দিয়েছে।
যোগাযোগ করা হলে  লামিয়া চৌধুরী বলেন, ‘আম্মা মারা যাওয়ার পর প্রতি সপ্তাহের শুক্র ও শনিবারে কাজিনদের নিয়ে আমি নারায়ণগঞ্জে যাই। ওখানে আমাদের আত্মীয়স্বজন থাকেন। ওদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে আসি। আজও গিয়েছিলাম। আসার পরই সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হই। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁতে আমাদের পৈতৃক জায়গা দখল করার চেষ্টা চলছে বেশ কিছুদিন ধরেই। সেই টার্গেটে আমি যাওয়ার পর দলবল সন্ত্রাসীরা আসে। ওদের হাতে অস্ত্র ছিল, আমাদের মারার জন্য। আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে। আমার পা ভেঙে ফেলেছে। আমার ফোনও কেড়ে নিয়েছিল। আমার ওড়না টেনে ছিঁড়ে ফেলেছে। আমি অনেক ভয় পেয়ে গেছি। এরপর আমি গাড়িতে উঠে গেছি।’
কথা বলার সময় হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করেন লামিয়া চৌধুরী। কাঁদতে কাঁদতে লামিয়া বললেন, ‘আমার মা–বাবা মরে গেছে। ওরা আমাদের জায়গাজমি দিয়ে গেছে। কিছুই ভোগ করতে পারি না। চারদিক থেকে লোকজন সব দখল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। আমার ভাই দেশে নেই। আমি সবকিছু একাই হ্যান্ডেল করতেছি। এ কারণে সবাই এভাবে আমার পেছনে লেগেছে। কত বছর ধরে আমার জীবনে এসব চলছে, বলে বোঝাতে পারব না। আমার জীবন হুমকির মুখে। আমি একা, সন্ত্রাসীরা এসব বুঝে গেছে।’

কথা প্রসঙ্গে লামিয়া বললেন, ‘আমার মা–বাবা মারা গেছেন—এসব তো সবাই জানে। এই সুযোগটা তারা নিতে চায়। ভাবছে, আমি নারী। আমাকে ধমক বা হুমকি দিলে আমি ভয় পেয়ে যাব। কিন্তু না, এসব আমার ও আমার ভাইয়ের পৈতৃক সম্পত্তি। আমার মা–বাবা দুজনে অনেক কষ্ট করে এসব সম্পত্তি করেছেন। সন্ত্রাসী হামলায় এসব তো ছাড় দেব না। আমাদের আত্মীয়স্বজনেরা ওখানে থাকেন। আজ তো আমি দেখলাম, ঘরের মধ্যে লোকজন থাকা অবস্থায় সন্ত্রাসীরা বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দিয়েছে!’

লামিয়া চৌধুরী তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমার সাথে কি কেউ নাই? আমার মা–বাবা মারা গেছে বলে আমার পাশে কি কেউ নাই? কেউ নাই, কেউ নাই, কেউ নাই।’ বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে আরেক পোস্টে লামিয়া লিখেছেন, ‘আমার পা ভেঙে ফেলেছে ওরা। হাসপাতালেও যেতে দিচ্ছে না। আমার গাড়িতে ইট মেরে গাড়ি ভেঙেছে। আমি হাঁটতে পারছি না।’

.

উৎস: Narayanganj Times

কীওয়ার্ড: স ন রগ ও ন র য়ণগঞ জ আম র ম আম দ র আম র প

এছাড়াও পড়ুন:

জিয়া সৈনিক দলের উদ্যোগে সিদ্ধিরগঞ্জে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দল সিদ্ধিরগঞ্জ থানা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৬ মার্চ) নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পাইনাদি নতুন মহল্লা ভাই ভাই টাওয়ার অফিসে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা সৈনিক দল নেতা মনির হোসেন মনিরের সভাপতিত্বে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জিয়া সৈনিক দলের নারায়ণগঞ্জ জেলার আহবায়ক জি এম সুমন মুন্সী, জিয়া সৈনিক দলের সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম শফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান (মিন্টু প্রধান) সিদ্ধিরগঞ্জ থানা কৃষক দলের সভাপতি তৈয়ম হোসেন, জিয়া সৈনিক দল নেতা জাকির, ফেরদাউস বিজয়, ওমর ফারুক জয়, সানাউল্লাহ, মিজান, কবির, বাদল, রবিউল ইসলাম, টুটুল, খোনকসহ অনেকে।#

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • নারায়ণগঞ্জে ফুটপাতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা, ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়
  • শহীদ সুমাইয়ার পরিবারকে তারেক রহমানের ঈদ উপহার দিলো মামুন মাহমুদ
  • নাসিক ১ নং ওয়ার্ড জিয়া সৈনিক দলের কমিটি ঘোষণা
  • রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দে সম্মানে গণ অধিকার পরিষদের ইফতার 
  • পোশাকশ্রমিকদের ঈদভাবনা: নেওয়ার চেয়ে পরিবারকে দিতে পারাই বেশি আনন্দের
  • স্বাধীনতা দিবসে মিতালী মার্কেট বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা
  • তারা আওয়ামীলীগের উপরে ভর করে দল ভারি করতে চায় : আজাদ 
  • ‘বিএনপিতে সংস্কারপস্থিদের স্থান হবে না’ 
  • সিদ্ধিরগঞ্জে তারেক রহমানের ঈদ উপহার পেল ২'শ ৫০ পরিবার
  • জিয়া সৈনিক দলের উদ্যোগে সিদ্ধিরগঞ্জে ইফতার ও দোয়া মাহফিল