‘আপত্তিকর নাচ’, বিতর্কের কারণে ঊর্বশীকে বাদ দিল নেটফ্লিক্স
Published: 20th, February 2025 GMT
কাজের চেয়ে বিতর্কের কারণেই বেশি শিরোনামে থাকেন বলিউড অভিনেত্রী ঊর্বশী রাউতেলা। চলতি বছরের শুরুতেই প্রবল বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি। দক্ষিণি সিনেমা ‘ডাকু মহারাজ’-এ তাঁর ‘আপত্তিকর’ নাচ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল। প্রেক্ষাগৃহের পর সিনেমাটি আসছে ওটিটিতে। তবে ভারতীয় গণমাধ্যম বলিউড হাঙ্গামা জানিয়েছে, সিনেমাটি থেকে ঊর্বশীর সেই নাচ বাদ দিয়েছে প্ল্যাটফর্মটি।
আগামীকাল নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেতে চলেছে তেলেগু সিনেমা ‘ডাকু মহারাজ’।
সিনেমায় প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেছেন নন্দামুরি বালকৃষ্ণ ও ববি দেওল। সিনেমায় একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেছেন ঊর্বশী।
‘ডাকু মহারাজ’ সিনেমার দৃশ্য। আইএমডবি.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
শরীয়তপুরের এ সমস্যার দ্রুত সমাধান চাই
দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে গড়ে তোলা হয়েছে কমিউনিটি ক্লিনিক। প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য সেখানে প্রশিক্ষিত একজন স্বাস্থ্যকর্মী থাকেন। অ্যান্টিবায়োটিক ও জটিল রোগের ওষুধ ছাড়া প্রায় সব ধরনের ওষুধ কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো থেকে রোগীদের বিনা মূল্যে সরবরাহ করা হয়। এখন শরীয়তপুরের এমন স্বাস্থ্যকর্মীরা বেতন পাচ্ছেন না ৯ মাস ধরে। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। ফলে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোও বন্ধ থাকছে। রোগীরা এসেও ফিরে যাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতি আসলে কোনোভাবেই কাম্য নয়।
প্রথম আলোর প্রতিবেদন জানাচ্ছে, বেতন না পেয়ে অর্থকষ্টে দিন কাটাচ্ছেন শরীয়তপুরের ১৪৩ জন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী কর্মী (কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার)। ওয়ার্ড পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠান কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা প্রদানকারী স্বাস্থ্যকর্মীরা গত বছরের জুলাই থেকে বেতন পাচ্ছেন না। ৯ মাস ধরে বেতন না পেয়ে এসব স্বাস্থ্যকর্মী পরিবার নিয়ে অনেকটা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এত দীর্ঘ সময় ধরে বেতন বন্ধ থাকলে এমন করুণ পরিস্থিতি হওয়াই স্বাভাবিক।
প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় ইউনিয়নের ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছে। ২০০৯ সালের পর শরীয়তপুরে ওই ক্লিনিকগুলোর কার্যক্রম শুরু হয়। ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র ছাড়াও জেলার ৬৫টি ইউনিয়নের দুটি করে ওয়ার্ডে কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম শুরু হয়। অ্যান্টিবায়োটিক ও জটিল রোগের ওষুধ ছাড়া প্রায় সব ধরনের ওষুধ কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো থেকে রোগীদের বিনা মূল্যে সরবরাহ করা হয়।
দীর্ঘদিন ধরে বেতন না পাওয়ায় অনেক স্বাস্থ্যকর্মী নিয়মিত কমিউনিটি ক্লিনিকে যান না। প্রথম আলোর প্রতিবেদক ১০ দিনে কয়েকটি উপজেলার ২০টি কমিউনিটি ক্লিনিক ঘুরে অন্তত ৮টি বন্ধ পেয়েছেন। ওই ক্লিনিকগুলোতে গিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের পাওয়া যায়নি। অনেকে দিনের যেকোনো সময় খুলে দু-এক ঘণ্টা অবস্থান করে বন্ধ করে চলে যান। এরপর চিকিৎসা নিতে আসা লোকজন চিকিৎসাসেবা না পেয়ে ফিরে যান।
সাধারণত দরিদ্র মানুষেরাই কমিউনিটি ক্লিনিকে আসেন। ফলে এসব ক্লিনিক যখন বন্ধ থাকে, তাতে বঞ্চিত হন এসব মানুষই। যেমন নারায়ণপুর ইউনিয়নের পুটিয়া এলাকায় অবস্থিত কমিউনিটি ক্লিনিকটি বন্ধ পেয়ে একজন অসুস্থ নারী বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। অসুস্থ হলে এখানে ছুটে আসি। কখনো খোলা পাই, আবার কখনো বন্ধ থাকে। তখন ওষুধ না নিয়েই ফিরে যেতে হয়।’
সিভিল সার্জন রেহান উদ্দিন বলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি প্রকল্পের আওতায় স্বাস্থ্যকর্মীদের বেতন দেওয়া হতো। এখন ওই প্রকল্পের মাধ্যমে বেতন দেওয়া হচ্ছে না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বলা হয়েছে শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান হবে।’ আশা করি, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে। স্বাস্থ্যকর্মীরাও স্বাস্থ্যসেবায় নিয়মিত হবেন, সেটিই কাম্য।