জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকে চাকরি, দশম গ্রেডে পদ ২৩৩
Published: 20th, February 2025 GMT
ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যভুক্ত ২টি ব্যাংকে সমন্বিতভাবে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে। এসব ব্যাংকে ‘অফিসার-রুরাল ক্রেডিট (ও-আরসি)’ পদে ২৩৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের চাকরিসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জনতা ব্যাংক পিএলসিতে ১০০ জন ও অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি ১৩৩ জনসহ মোট ২৩৩ জনকে দশম গ্রেডে ‘অফিসার-রুরাল ক্রেডিট (ও-আরসি)’ পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। এই পদের জব আইডি—১০২২৩।
আরও পড়ুনঅর্থ মন্ত্রণালয়ে বড় নিয়োগ, সংশোধিত পদ ১৩৪২০ ঘণ্টা আগেআবেদনের জন্য স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা চার বছর মেয়াদি স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি থাকতে হবে। এসএসসি/সমমান এবং তদূর্ধ্ব পর্যায়ের পরীক্ষায় ন্যূনতম একটিতে প্রথম বিভাগ/শ্রেণি থাকতে হবে। গ্রেডিং পদ্ধতির ফলাফলের ক্ষেত্রে সরকারি নীতিমালা প্রযোজ্য হবে। কোনো পর্যায়েই তৃতীয় বিভাগ/শ্রেণি গ্রহণযোগ্য হবে না। প্রার্থীর বয়সসীমা ১৮ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং সর্বোচ্চ ৩২ বছর হতে হবে।
আরও পড়ুন৬ ব্যাংকে বড় নিয়োগ, পদ ১২৬২২০ জানুয়ারি ২০২৫আগ্রহী প্রার্থীদের বাংলাদেশ ব্যাংকের চাকরিসংক্রান্ত ওয়েবসাইটের এই লিংকে নির্ধারিত ছক পূরণের মাধ্যমে নিবন্ধন করে আবেদন করতে হবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এই লিংকে জানা যাবে।
আরও পড়ুনআরপিসিএল-নরিনকোতে চাকরি, মূল বেতন ৯১ হাজারসহ আছে নানা ভাতা০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫অনলাইনে আবেদন করার পর আবেদন ফি বাবদ ডাচ্–বাংলা ব্যাংক পিএলসির মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘রকেট’–এর মাধ্যমে বিল পে ব্যবহার করে ২০০ টাকা পেমেন্ট করতে হবে। এ ক্ষেত্রে রকেট অ্যাপ বা ম্যানুয়াল উভয় ক্ষেত্রেই ফি প্রদানের জন্য বিলার আইডি হিসেবে Bankers Selection Committee Secretariat অথবা 499 সিলেক্ট করতে হবে। আবেদন ফির পেমেন্ট পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এই লিংকে জানা যাবে। অনগ্রসর নাগরিক গোষ্ঠীভুক্ত প্রার্থীদের জন্য সরকার নির্ধারিত আবেদন ফি ৫০ টাকা যা পরে তাঁদের আবেদন ও দাখিলকৃত দলিলাদি যাচাই সাপেক্ষে সমন্বয় করা হবে।
আবেদনের শেষ সময়: ২৩ মার্চ ২০২৫।
আরও পড়ুনএসএসসি পরীক্ষা ২০২৫-এর কোন পরীক্ষা কবে৩ ঘণ্টা আগে.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
রমজানে শেষ নয় রোজা
রাসুল (সা.) রমজান চলে যাওয়ার পরও সাহাবিদের রোজা পালন অব্যাহত রাখতে উৎসাহ দিয়েছেন। অর্থাৎ, রোজা শুধু রমজানের ইবাদত নয়। রমজানের রোজা তো ফরজ, বাকি সারা বছর আরও রোজা আছে সেগুলো সুন্নত।
বছরের অন্যান্য সময়ের রোজা
রাসুল (সা.) অধিক পরিমাণে নফল রোজা পালন করতেন। রোজার জন্য নিষিদ্ধ পাঁচ দিন ছাড়া বছরের যেকোনো সময় নফল রোজা রাখা যায়। তবে নির্দিষ্ট কিছু কিছু সময়ের রোজা সাধারণ নফল রোজার থেকে বেশি ফজিলতপূর্ণ। রাসুল (সা.) গুরুত্বসহকারে সেই রোজাগুলো পালন করতেন। তিনি আরও যেসব নফল রোজা পালন করতেন তা হলো :
১. শাওয়াল মাসের রোজা : নবীজি (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখে অত:পর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখে সে যেন গোটা বছর রোজা রাখে। ইবনে মাজাহ, হাদিস ২৪৩৩
২. আরাফা দিবসের রোজা : জিলহজ মাসের নয় তারিখে—যাকে আরাফা দিবস বলা হয়—রোজা রাখা সম্পর্কে নবীজিকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন : আরাফা দিবসের রোজা সম্পর্কে আল্লাহর কাছে আশা করি যে, তা বিগত এক বছর ও আগত এক বছরের পাপের কাফফারা হবে। (মুসলিম, হাদিস: ২,৮০৩)
তবে যারা হজ পালন করছেন, তারা এ দিন রোজা রাখবে না।
আরও পড়ুনউয়ায়েস করনির কাহিনি০৮ মার্চ ২০২৫৩. মহররম মাসের রোজা : রাসুল (সা.) বলেন, রমজান মাসের পর সর্বোত্তম রোজা হলো আল্লাহর মাস মহররমের রোজা। আর ফরজ নামাজের পর সর্বোত্তম নামাজ হল রাতের নামাজ। (মুসলিম, হাদিস: ২,৮১২)
৪. আশুরার রোজা : আশুরা অর্থাৎ, মহররমের ১০ তারিখ উপলক্ষে রোজা সম্পর্কে নবীজিকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেন, তা বিগত এক বছরের গুনাহের কাফফারা। (মুসলিম, হাদিস: ২,৮০৪; তিরমিজি, হাদিস: ২,৮০৯)
তবে রাসুল (সা.) বলেছেন, তোমরা আশুরা দিবসে রোজা পালন কর এবং তাতে ইহুদিদের বিরোধিতা কর। তোমরা আশুরার একদিন পূর্বে অথবা একদিন পরে (যুক্ত করে) রোজা পালন করবে। (মুসনাদে আহমদ, হাদিস: ২,১৫৪)
৫. শাবান মাসের রোজা : আয়েশা (রা.) বলেন, আমি রাসুল (সা.)-কে শাবান মাস ব্যতীত অন্য মাসে অধিক পরিমাণে নফল রোজা রাখতে দেখি নি। (বুখারি, হাদিস: ১,৯৬৯)
৬. প্রতি মাসে ৩ দিন রোজা রাখা : প্রতি চান্দ্র মাসের তেরো, চৌদ্দ ও পনেরো তারিখে রোজা রাখা নবীজির (সা.) আমল ছিল। এই তিন দিনকে হাদিসের পরিভাষায় ‘আইয়ামুল বিয’ বলা হয়। আইয়ামে বিযের রোজা সম্পর্কে ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘রাসুল (সা.) সফরে ও শহরে কোনও অবস্থাতেই এ-রোজা ত্যাগ করতেন না।’ (নাসায়ি, হাদিস: ২,৩৪৫)
আরও পড়ুনযে সাহাবির মৃত্যুতে আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠেছিল ০৮ মার্চ ২০২৫রাসুল (সা.) বলেন, ‘প্রত্যেক মাসে তিনটি রোজা ও এক রমজানের পর পরবর্তী রমজানে রোজা পালন পূর্ণ বছর রোজা পালনের সমান।’ (মুসলিম, হাদিস: ২,৮০৪)
৭. সোমবার ও বৃহস্পতিবারের রোজা : সপ্তাহের এই দু’দিন—সোমবার ও বৃহস্পতিবার—রোজা পালন করা সুন্নত। রাসুল (সা.) বলেন, ‘সোমবার ও বৃহস্পতিবার বান্দার আমল আল্লাহর সমীপে উপস্থাপন করা হয়। কাজেই আমি পছন্দ করি যখন আমার আমলের উপস্থাপন হবে তখন আমি রোজা অবস্থায় থাকব।’ (তিরমিজি, হাদিস: ৭২৫)
৮. একদিন পর পর রোজা পালন : ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘আল্লাহর কাছে (নফল রোজার মধ্যে) সবচে’ প্রিয় রোজা হলো দাউদ (আ.)-এর রোজা। তিনি একদিন রোজা রাখতেন এবং একদিন ভাঙতেন। (মুসলিম, হাদিস: ১,১৫৯)
রমজানের পরে রোজা আদায়কারীর কাছে প্রত্যাশা থাকে, রমজানের শিক্ষা থেকে সে আরও বেশি করে রোজার ইবাদত পালনের মধ্য দিয়ে আল্লাহর আনুগত্য প্রদর্শন করবে। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘রাসুল (সা.) এমনভাবে নফল রোজা পালন করতেন যে আমরা ধরে নিতাম তিনি আর বিরতি দেবেন না। আবার এমনভাবে রোজা পরিত্যাগ করতেন যে আমরা মনে করতাম তিনি আর রোজা পালন করবেন না। (বুখারি, হাদিস: ১,৯৬৯)
আরও পড়ুনশয়তানের ধোঁকার কাহিনি০৭ মার্চ ২০২৫