শেবামেকে কমপ্লিট শাটডাউন ৩য় দিনে, ক্যাম্পাসে নীরবতা
Published: 19th, February 2025 GMT
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে (শেবামেক) শিক্ষার্থীদের ডাকা কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচির তৃতীয় দিন চলছে। আজ বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তিন দিন ধরে কলেজের একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে শিক্ষার্থীদের দেওয়া তালা ঝুলছে। যার ফলে কলেজের সব কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
কলেজের একাডেমিক ভবনসহ ক্যাম্পাসে সুনসান নীরবতা বিরাজ করছে। আজ সকাল ১১টায় শিক্ষার্থীরা কলেজ ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন। পরে দুপুর ১২টায় তারা হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনের সড়কের একাংশ অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, কলেজে চলমান শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবি না মানা পর্যন্ত তাদের এ আন্দোলন চলবে। আর কলেজ প্রশাসন বলছে, তারা বিষয়টি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানিয়েছে। সেখান থেকে উদ্যোগ না নিলে শূন্য পদে শিক্ষক পদায়ন সম্ভব নয়।
আরো পড়ুন:
গাইবান্ধায় ডাল খেয়ে ২ শতাধিক মানুষ অসুস্থ
পিকনিকের খাবার খেয়ে হাসপাতালে ৪৫ জন
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে ৩৩৪টি শিক্ষকের মঞ্জুরীকৃত পদ রয়েছে। যার মধ্যে বর্তমানে শিক্ষক আছে মাত্র ১৬১টি পদে। অর্ধেকের বেশি অর্থাৎ ১৭৩টি শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। শিক্ষক সংকটের কারণে একাডেমিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে। যা ভবিষ্যতে চিকিৎসা ব্যবস্থার উপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন শিক্ষার্থীরা। এ অবস্থায় অনতিবিলম্বে মেডিকেল কলেজের সব বিভাগে শূন্য পদগুলোতে শিক্ষক পদায়ন করা না হলে আন্দোলন চলমান থাকবে বলে জানান তারা।
এদিকে, কলেজে শাটডাউন থাকায় হাসপাতালে চিকিৎসায় ব্যাঘাত ঘটছে না। তবে মাইক্রোবায়োলজি পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কিছুটা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। শিক্ষক সংকটের কথা স্বীকার করে কলেজ প্রশাসন। তারা বলছে, বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। দ্রুত সমস্যা সমাধান করা হবে।
ঢাকা/পলাশ/বকুল
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
‘বৈষম্য দূরীকরণে আর কাউকে যেন রক্ত দিতে না হয়’
বৈষম্য দূরীকরণে আর কাউকে যেন রক্ত দিতে না হয়, আজকের দিনে এই আমাদের অঙ্গীকার বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, ‘আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণ করছি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহত পরিবারের পাশে আমরা সব সময় আছি।’
গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে অর্থ সহায়তা দিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক এসব কথা বলেন। আড়াইহাজার উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভা যৌথভাবে এ আয়োজন করে।
জেলা প্রশাসক বলেন, তারা যে স্বপ্ন নিয়ে আত্মাহুতি দিয়েছেন, বুকের তাজা রক্ত ঝরিয়েছেন, তা ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। তাদের স্বপ্ন লালন করে সমাজ থেকে সব বৈষম্য দূর করতে হবে। আমরা একটা সুন্দর সমাজ গড়তে চাই। এটা আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব। যদি তা নিশ্চিত করতে না পারি, তাহলে এটা হবে আমাদের জন্য চরম ব্যর্থতা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজ্জাত হোসেনের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নঈম উদ্দিন, ইউএইচএফপিও ডা. হাবিবুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমদ, সাবেক ভিপি কবির হোসেন প্রমুখ।