সচিবালয়ের সামনে গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা
Published: 19th, February 2025 GMT
সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা সচিবালয়ের ৫ নম্বর গেটের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর থেকে ‘গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ পরিবারের’ ব্যানারে তারা এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
এর আগে, আজ সকালে তারা শাহবাগে জড়ো হন। পরে সেখান থেকে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সচিবালয়ের দিকে রওনা হয়ে দুপুর ১টার দিকে সচিবালয়ের ৫ নম্বর গেটের সামনে অবস্থান নেন।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুপুর দেড়টায় ৬ সদস্যদের একটি প্রতিনিধি দল মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে প্রবেশ করেছে। আর বাকি আন্দোলনকারীরা গেটের সামনেই অবস্থান করছেন।
তাদের দাবিগুলো হলো— জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দুইটি ক্যাটাগরিতে রাখা, বিশেষ সুরক্ষা আইন করে নিহতদের পরিবার ও আহতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আহত ও শহীদ পরিবারের সুচিকিৎসা, মানসিক কাউন্সেলিং, হয়রানি প্রতিরোধ এবং সমস্যা সমাধানের জন্য জরুরি হটলাইন চালু করা।
বিএইচ
.উৎস: SunBD 24
কীওয়ার্ড: গণঅভ য ত থ ন অবস থ ন র স মন
এছাড়াও পড়ুন:
একই স্থানে টানা তিন দিন দুর্ঘটনা, আজ বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে প্রাণ গেল ১০ জনের
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যাত্রীবাহী পরিবহনের সঙ্গে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুজন নারী, একজন শিশু ও পাঁচজন পরুষ বলে জানা গেছে। তবে নিহতের পরিচয় এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ২ জন।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দোহাজারী হাইওয়ে থানা পুলিশ এখনো ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি।
এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন লোহাগাড়া থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান।
প্রত্যক্ষদর্শী বাসযাত্রী মতিন মিয়া বলেন, ‘চট্টগ্রামমুখী যাত্রীবাহী রিলাক্স পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। বেশ কয়েকবার চালক বাসটি থামানোর চেষ্টা করে। এর মধ্যেই বিপরীত দিক থেকে আসা কক্সবাজারমুখী মাইক্রোবাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসের ১০ যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। আহত হন ২ জন।
লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিস ও থানা পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। দুর্ঘটনার কারণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের লিডার রাখাল চন্দ্র রুদ্র জানান, আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে একই স্থানে ঈদের দিন সোমবার দুই বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হন। গতকাল মঙ্গলবার একই স্থানে দুইটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ৮ জন আহত হন।
স্থানীয়রা জানান, লবণবাহী গাড়ি থেকে পানি পড়ে সড়ক পিচ্ছিল হওয়ায় বারবার এ সড়কে দুর্ঘটনা ঘটছে।