সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার শ্যালক গ্রেপ্তার
Published: 18th, February 2025 GMT
সাবেক ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার শ্যালক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হারিচুর রহমান সোহানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ভোররাতে তাকে গ্রেপ্তার করে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্যান্সন্যাশনাল ইউনিট (সিটিটিসি)। সোহানের বিরুদ্ধে তিনটি মামলার তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
একইদিন দুপুরে ডিএমপির উপকমিশনার (ডিসি) তালেবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের করা তিন মামলার এজাহারনামীয় আসামি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হারিসুর রহমান সোহান। তাকে সিটিটিসি রাজধানীর বেইলি রোড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে। সোহানকে খিলগাঁও থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
জানা গেছে, হারিচুর রহমান সোহান সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার শ্যালক। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ আছে। গত ১২ সেপ্টেম্বর আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার স্ত্রীসহ পরিবারের ১০ জনের নামে-বেনামে হাজার-হাজার কোটি টাকার সম্পদের খোঁজে ৩০ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চিঠি দেয় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান টিম। যেখানে সাবেক কমিশনারের স্ত্রী আফরোজা আমান, ছেলে আসিফ শাহাদাৎ, মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকা ও আসিফ মাহদিন, শ্যালক হারিচুর রহমানের নাম রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার শ্যালক হারিচুর রহমান নামে-বেনামে হাজার-হাজার কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন। সোহানের নামে পরিবহন ব্যবসাও আছে। বিশেষ করে মধুমতি ও মৌমিতা পরিবহনের পরিচালক ছিলেন।
এছাড়া সোহান নিজেকে পিওর গোল্ড লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান পরিচয় দিতেন। শ্যালকের এসব ব্যবসায় আছাদুজ্জামানই বিনিয়োগকারী বলে জানা গেছে। এছাড়া শ্রমিক লীগের এই নেতার নামে রাজধানীর অভিজাত বেইলি রোড, শাহজাহানপুরে ফ্ল্যাট রয়েছে। বনশ্রী ও আফতাবনগরে একাধিক প্লট রয়েছে। এর মধ্যে বনশ্রীর একটি প্লটে বাড়ির নির্মাণকাজও চলছে। আছাদুজ্জামান মিয়ার অবৈধ টাকা দিয়ে এসব সম্পদ গড়া হয়।
.উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: হ র চ র রহম ন
এছাড়াও পড়ুন:
রাশিয়ান হাউসে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৪তম বার্ষিকী উদযাপন
ঢাকার রাশিয়ান হাউসে মুক্তিযুদ্ধ একাডেমি ফাউন্ডেশন এবং রুশ-বাংলা কল্যাণ ট্রাস্টের সহযোগিতায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৪তম বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকাস্থ রাশিয়ান হাউসে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর থেকে মাইন অপসারণে নিবেদিত প্রচেষ্টার জন্য সোভিয়েত নৌবাহিনীকে আন্তরিক অভিবাদনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
স্বাগত বক্তব্যে ঢাকাস্থ রাশিয়ান হাউজের পরিচালক পি দভোইচেনকভ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে মহান মুক্তিযুদ্ধে রাশিয়ার ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রুশ-বাংলা কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল ওহাব এবং মুক্তিযুদ্ধ একাডেমি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বাংলাদেশের উন্নয়নে সোভিয়েত ইউনিয়নের সহায়তার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, “সোভিয়েত ইউনিয়নের সমর্থন ছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা সম্ভব হতো না। মুক্তিযুদ্ধে সবচেয়ে বড় মিত্রশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয় সোভিয়েত ইউনিয়ন।”
ঢাকা/হাসান/টিপু