Risingbd:
2025-03-30@23:45:52 GMT

কষ্টের জয়ে শীর্ষে বার্সা

Published: 18th, February 2025 GMT

কষ্টের জয়ে শীর্ষে বার্সা

সমীকরণ ছিল এমন— জিতলেই মিলবে লা লিগার পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান। রায়ো ভায়োকানোর বিপক্ষে রবার্ট লেভানডোফস্কির পেনাল্টি থেকে পাওয়া একমাত্র গোলে কাঙ্খিত জয়টা পেয়েছে বার্সেলোনা। তাতে গোল ব্যবধানে রিয়াল মাদ্রিদকে পেছনে ফেলে টেবিলের শীর্ষস্থান দখলে নিয়েছে হানসি ফ্লিকের শিষ্যরা।

এই জয়ে ২৪ ম্যাচ থেকে ৫১ পয়েন্ট ও +৪০ গোল গড় নিয়ে বার্সেলোনা আছে শীর্ষে। সমান ম্যাচ থেকে সমান পয়েন্ট ও +২৯ গোল গড় নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ আছে দ্বিতীয় স্থানে। আর ৫০ পয়েন্ট ও +২৩ গোল গড় নিয়ে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ আছে তৃতীয় স্থানে। হার মানা ভায়োকানো ২৪ ম্যাচ থেকে ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে আছে ষষ্ঠ স্থানে।

এদিন ম্যাচের ২৪ মিনিটে পেনাল্টি পায় বার্সা। এ সময় ডি বক্সের মধ্যে বার্সার ইনিগো মার্টিনেজকে ফাউল করেন ভায়োকানোর পাথে সিস। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। পরে ভিএআর চেকেও টিকে যায় সেটি। পেনাল্টি থেকে লেভানডোফস্কি গোল করে এগিয়ে নেন দলকে। বাকি সময়ে অবশ্য আর কোনো গোল হয়নি।

আরো পড়ুন:

দিস ইজ নট ফুটবল, দিস ইজ লা লিগা! 

দশ জনের দল নিয়েও বার্সার বড় জয় 

যদিও বার্সা আরও ১৩টি দারুণ আক্রমণ শানিয়েছিল। তার মধ্যে পাঁচটি ছিল অন টার্গেটে। ভায়োকানো ৯টি আক্রমণ শানিয়ে গোলমুখে শট নিয়েছিল ৪টি। কর্নারও পেয়েছিল ৫টি। কিন্তু তার কোনোটি থেকেই কাঙ্খিত গোলটি পায়নি তারা। তাতে হারও এড়াতে পারেনি।

ঢাকা/আমিনুল

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ফ টবল

এছাড়াও পড়ুন:

কাঁদতে কাঁদতে গাজার বাসিন্দা বললেন, ‘আমরা তো সব হারিয়েছি, ঈদটা কষ্টের’

ফিলিস্তিনের গাজায় রোববার পালিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। তবে ইসরায়েলের নৃশংস হামলায় বিধ্বস্ত উপত্যকাটিতে এ দিন ছিল না উৎসবের আমেজ। ঈদের দিনও সেখানে নির্বিচারে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। মুসলিমদের কাছে খুশির এ দিনটিতেও গাজায় নিহত হয়েছেন অন্তত ৩৫ ফিলিস্তিনি।

দীর্ঘ ১৭ মাস ধরে চলা হামলায় গাজায় আর কোনো মসজিদ অবশিষ্ট নেই বললেই চলে। রোববার তাই উপত্যকাটির বাসিন্দাদের ঈদের নামাজ আদায় করতে হয়েছে ধ্বংস হয়ে যাওয়া মসজিদের বাইরে। আগের দিনে গাজার যেসব শিশু নতুন পোশাক পরে আনন্দ করত, তারা এখন ক্ষুধায়-আতঙ্কে কাতর। ঈদ উপলক্ষে নেই তেমন রান্নার আয়োজন।

ইসরায়েলের হামলা শুরুর আগে গাজার ফিলিস্তিনিরা ঈদের সকালে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে উদ্‌যাপন করতেন। তবে এখনকার চিত্র ভিন্ন। বহু গাজাবাসী তাঁদের পরিবারের সদস্যকে হারিয়েছেন। রোববার অনেককে দেখা যায় প্রিয়জনের কবরের পাশে। অনেকে হাজির হন হাসপাতালের মর্গে—শেষবারের মতো কাছের মানুষের মরদেহটি দেখতে।

ইসরায়েলের হামলায় গাজার বাসিন্দা আদেল আল-শায়ের তাঁর পরিবারের ২০ সদস্যকে হারিয়েছেন। মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকায় ঈদের নামাজ শেষে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। বলেন, ‘এই ঈদটা কষ্টের। আমরা আমাদের ভালোবাসার মানুষগুলোকে হারিয়েছি। আমাদের সন্তান, আমাদের জীবন, আমাদের ভবিষ্যৎ—সবকিছু... আমরা তো সব হারিয়েছি।’

ঈদের দিন স্বজনের কবরের পাশে গাজা নগরীর এক নারী

সম্পর্কিত নিবন্ধ