লংমার্চ ঘোষণার মধ্য দিয়ে সন্ধ্যা সাতটার দিকে রাজধানীর ব্যস্ততম সড়ক শাহবাগ মোড় ছেড়েছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি ও তাঁদের স্বজনদের একটি অংশ। শহীদ পরিবারের স্বজনেরা তিন দফা দাবিতে আজ সোমবার বেলা দেড়টার দিকে সড়ক অবরোধ করেন। দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার অবরোধের ফলে আশপাশের এলাকার সড়কেও তীব্র যানজট তৈরি হয়।

গণ-অভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ পরিবার ব্যানারে আন্দোলনকারীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তাঁদের দাবিগুলো হলো বৈষম্য নিরসনে আহতদের তিনটি ক্যাটাগরি বাদ দিয়ে দুটি ক্যাটাগরি করা, প্রান্তিক এলাকায় আহতদের চিকিৎসার সুবিধার্থে টোল ফ্রি হটলাইন সেবা চালু করা এবং আহতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও তাঁদের সুরক্ষায় আইন করা।

এসব দাবি আদায়ে ১৯ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় শাহবাগ মোড় থেকে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় পর্যন্ত লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের একজন মো.

আরমান অবরোধ কর্মসূচি সমাপ্ত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ সময় সড়ক অবরোধ করলেও সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।’

সন্ধ্যা ৭টার দিকে অবরোধকারীরা সড়ক থেকে সরে দাঁড়ালে যান চলাচল শুরু হয়

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: অবর ধ

এছাড়াও পড়ুন:

নরসিংদীতে বাস-ট্রাক-প্রাইভেটকারের ত্রিমুখী সংঘর্ষে আহত ৬৩ 

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নরসিংদীতে বাস-ট্রাক-প্রাইভেটকারের ত্রিমুখী সংঘর্ষে ৬৩ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার সকালে সদর উপজেলার বাসাইল এলাকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে দুজনকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা পাঠানো হয়েছে। 

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বাসাইল এলাকায় সকালে সিলেটমুখী মালবোঝাই একটি ট্রাকের সঙ্গে ঢাকামুখী প্রাণ আরএফএল কোম্পানির একটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এসময় পাশে চলমান অপর একটি প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ ঘটে। এতে বাস ট্রাক ও প্রাইভেটকারে থাকা ৬৩ জন যাত্রী আহত হন।

পরে আহতদের উদ্ধার করে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে গুরুতর আহত অবস্থায় বাসের এক যাত্রী ও ট্রাকের ড্রাইভারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়। বাকি আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি চলে যান।

ইটাখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন জানান, সকালে নরসিংদী সদরের বাসাইল এলাকায় প্রাণ কোম্পানির একটি বাস ও মালবোঝাই একটি ট্রাকের সংঘর্ষ ঘটে। এসময় পেছনে থাকা একটি প্রাইভেটকার এসে দুর্ঘটনা কবলিত বাসে ধাক্কা দেয়। এসময় অর্ধশতাধিক যাত্রী আহত হন। এদের মধ্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য বাসের এক যাত্রী ও ট্রাকের ড্রাইভারকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি তিনটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • নরসিংদীতে বাস-ট্রাক-প্রাইভেটকারের ত্রিমুখী সংঘর্ষে আহত ৬৩ 
  • নরসিংদীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষে আহত ৬৩
  • গাছের সঙ্গে বাসের ধাক্কা, প্রাণ গেল চালক-সুপারভাইজারের
  • আন্দোলনে আহত খোকন বর্মণকে চিকিৎসা দিতে পাঠানো হলো রাশিয়ায়