পিরোজপুরের নাজিরপুরে নিয়ন্ত্রণ হারানো বাসের ধাক্কায় বাবা-ছেলে নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার সকালে পিরোজপুর-ঢাকা মহাসড়কে উপজেলার রুহিতলাবুনিয়া নামকস্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার চালিতাবাড়ি গ্রামের হালিম মোল্লার ছেলে মাহাবুব মোল্লা (৪৫) ও তার ছেলে ইয়াত মোল্লা (১৫)।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা নেওয়ার পথে তারা মারা যান।

স্থানীয়রা জানান, আজ সকালে ঢাকাগামী ইমাদ পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্যাটারিচালিত ভ্যানকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ভ্যানে থাকা ৩ যাত্রী গুরুতর আহত হন। এছাড়া সেখানে সড়কে থাকা আরও দু’জন আহত হন।

নাজিরপুর থানার ওসি মো.

মাহামুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মশিউর রহমান বলেন, গুরুতর আহত তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: দ র ঘটন

এছাড়াও পড়ুন:

ইফতার কিনে বাড়ি ফেরা হলো না মইদুলের

ইফতার কিনে বাড়ি ফেরার পথে নাটোরের লালপুরে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মইদুল ইসলাম (৩৫) নামের মোটরসাইকেল আরোহী এক যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে লালপুর-ঈশ্বরদী আঞ্চলিক সড়কের চামটিয়া মসজিদ এলাকায় এ দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী অপর একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

নিহত মইদুল ইসলাম চামসটিয়া এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে।

প্রত্যাক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মইদুল ইসলাম ঈশ্বরদী থেকে ইফতার কিনে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় চামটিয়া এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা ঈশ্বরদীগামী প্রাইভেটকারের সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মাইদুল নিহত হন। মোটরসাইকেলে থাকা অপর এক আরোহী গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা আহত ব্যাক্তিকে উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

পরে খবর পেয়ে লালপুর থানার পুলিশ এসে দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল ও নিহত মাইদুলের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে জানতে লালপুর থানার ওসি মো. নাজমুল হকের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে ওসি পরে কল করতে বলেন।

সম্পর্কিত নিবন্ধ