বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সদস্য সচিব আরিফ সোহেল স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

কমিটিতে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী আরমান হোসেনকে আহ্বায়ক ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মো.

শাহেদুর রহমান রাফিকে সদস্য সচিব নির্বাচিত করে আগামী ৬ মাসের জন্য ২৩৬ সদস্য বিশিষ্ট এ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এ ছাড়া মুখ্য সংগঠক পদে রোকেয়া এন ইসলাম কলেজের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম মুরাদ, মুখপাত্র রওশন জাহান ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী মো. বায়েজিদ হোসাইনকে নির্বাচিত করা হয়েছে। 

কমিটির আহ্বায়ক আরমান হোসেন জানান, ফ্যাসিবাদমুক্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা ও বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা গড়তে জুলাইয়ের আন্দোলনে সম্মুখ সারিতে লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। তাদের সমন্বয়ে ৬ মাসের জন্য লক্ষ্মীপুর জেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করি, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে এই কমিটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

জাহাঙ্গীর/এনএইচ

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

নাগরিক সুবিধা না থাকলেও করের বোঝা ২০ গুণ

‘প্রিয় পৌরবাসী, আমি যেহেতু পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি, সেহেতু পৌরসভার সমস্যা সমাধানের দায়িত্বও আমার। কমেন্টসে পৌর এলাকার সমস্যাগুলো লিখতে থাকুন। সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

গত ১৫ মার্চ উপজেলা প্রশাসনের ফেসবুক আইডি থেকে এমন পোস্ট করেছেন ঘাটাইল উপজেলার ইউএনও এবং পৌরসভার প্রশাসক আবু সাইদ। এতে ফেসবুক ব্যবহারকারী ৯৯ জনের মন্তব্যে উঠে এসেছে প্রথম শ্রেণির পৌরসভার ৯ গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। এত সমস্যা এবং অবকাঠামোগত কোনো উন্নয়ন না হলেও সম্প্রতি পৌর কর্তৃপক্ষ স্থাপনা ভেদে ২০ থেকে ৩০ গুণ বাড়িয়েছে পৌর কর, যা নিয়ে ক্ষুব্ধ পৌরসভার বাসিন্দারা। 

মন্তব্যকারীরা যেসব ভোগান্তির চিত্র তুলে ধরেছেন, তা হলো– ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা, যানজট, সড়কবাতি নষ্ট, মাদক, ফুটপাত দখলে থাকায় পথচারীদের চলাচলে অসুবিধা, ভাঙা রাস্তা, মেইন রোডের অসমতল ঢালাই রাস্তা, ভাঙা রাস্তা মেরামতের অভাব ইত্যাদি। 

এদিকে নানা সমস্যায় বছরের পর বছর পৌরবাসী ভোগান্তি পোহালেও চলতি মাসেই বাড়ানো হয়েছে ২০ থেকে ৩০ গুণ পর্যন্ত পৌর কর। পৌরসভার অ্যাসেসর আব্দুল কদ্দুস স্বাক্ষরিত নোটিশ এরই মধ্যে পৌঁছে গেছে ঘরে ঘরে, যা নিয়ে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। 

এ বিষয়ে ঘাটাইলের ইউএনও এবং পৌরসভার প্রশাসক আবু সাইদ সমকালকে বলেন, যে বাড়তি কর টানা হয়েছে, তা বিধি অনুযায়ী করা হয়েছে। একবারে যেন জনগণের ওপর করের বোঝা না পড়ে, এ জন্য দাবি পুনর্নির্ধারণের জন্য গঠন করা হয়েছে একটি কমিটি। তাদের দেওয়া প্রতিবেদনের ওপর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

সম্পর্কিত নিবন্ধ