ফেনীতে একটি অ্যাম্বুলেন্সের চাপায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম মো. হৃদয় (২৮)। তিনি লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার বিবিরহাট এলাকার আদর্শ গ্রামের মোসলেহ উদ্দিনের ছেলে। আজ সোমবার সকালে ফেনী সদর উপজেলার মোহাম্মদ আলী এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফেনীতে মহাসড়কের পাশে অবস্থিত একটি বেকারি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন হৃদয়। কাজের সূত্রে তিনি ফেনীতেই বসবাস করতেন। সকালে হেঁটে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন তিনি। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁকে চাপা দেওয়ার পর সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। ঘটনস্থলেই নিহত হন মো.

হৃদয়। দুর্ঘটনার পর অ্যাম্বুলেন্সের চালক পালিয়ে গেছেন। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হৃদয়ের লাশ উদ্ধার করে। এরপর লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ফেনীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

মহিপাল হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশিদ বলেন, অ্যাম্বুলেন্সটি পার্শ্ববর্তী এলাকায় একটি মরদেহ নামিয়ে মহাসড়কের ঢাকামুখী লেন হয়ে দ্রুতগতিতে ফিরছিল। দ্রুতগতির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত অ্যাম্বুলেন্সটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: দ র ঘটন

এছাড়াও পড়ুন:

এয়ার ইন্ডিয়ার ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন মন্ত্রী

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান জানিয়েছেন, তাঁর কাছে ভাঙা সিটের টিকিট বিক্রি করেছে এয়ার ইন্ডিয়া। 

গতকাল শনিবার এ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়ে সামাজিক মাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, এয়ার ইন্ডিয়া ‘যাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণা’ করছে। 

তিনি জানান, ভাঙা সিটের ব্যাপারে বিমানের এক ক্রুকে জিজ্ঞেস করা হলে তাঁকে বলা হয়, সিটটিতে যে ত্রুটি রয়েছে, সেটি সংস্থাকে জানানো হয়েছিল। এর টিকিট বিক্রি না করতেও বলা হয়েছিল।

এক্সে শিবরাজ সিং লেখেন, ‘পুসার কিষাণ মেলা উদ্বোধন করতে আজ আমার ভোপাল থেকে দিল্লি আসতে হয়। সেখানে বিভিন্ন প্রতিনিধিদের সঙ্গে আমার আলোচনা হয়। আমি এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট নাম্বার এআই৪৩৬ এ একটি টিকিট বুক করি। আমাকে ৮সি সিটটি দেওয়া হয়। বসতে গিয়ে দেখি সিটটি ভাঙা; নিচু হয়ে আছে। সেখানে বসতে অস্বস্তি হচ্ছিল।’ এনডিটিভি। 
 

সম্পর্কিত নিবন্ধ