আ.লীগ নেত্রী দোলনা আক্তার গ্রেপ্তার
Published: 16th, February 2025 GMT
গ্রেপ্তার এড়াতে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে যান কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেত্রী দোলনা আক্তার (২৭)। তবুও শেষ রক্ষা হলো না। আজ রোববার রাত আটটার দিকে ফুলবাড়ীর কবিরমামুদ গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
দোলনা আক্তার উপজেলার কবিরমামুদ গ্রামের দুলাল হোসেনের মেয়ে। তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রী এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য।
পুলিশ জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দোলনা আক্তার ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে ছিলেন। সম্প্রতি ঢাকাসহ সারাদেশে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ অভিযান শুরু হওয়ায় গ্রেপ্তার এড়াতে গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় চলে আসেন তিনি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আজ গ্রেপ্তার করা হয়।
ফুলবাড়ী থানার ওসি মামুনুর রশীদ বলেন, দোলনা আক্তারকে ৪ আগস্ট ফুলবাড়ীতে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আগামীকাল সোমবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।
.উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: আওয় ম ল গ
এছাড়াও পড়ুন:
ফতুল্লায় ঈদের দিনে যুবককে গুলি করে হত্যা
ফতুল্লায় মাদকের টাকার লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে মো. পাভেল নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (৩১ মার্চ) ঈদুল ফিতরের দিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে ওই যুবকের মৃত্যু হয়।
এরআগে রোববার চাঁদরাতে পাভেল ও পাশের বাড়ির সকালে রায়হান বাবু ওরফে ‘কবুতর বাবুর’ মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।
এ ঘটনায় ঈদের দিন সকালে ‘কবুতর বাবু’ পিস্তল দিয়ে পাভেলের বুকে গুলি করে পালিয়ে যান। নিহত পাভেল (৩৭) ফতুল্লা থানার কাশিপুর মধ্যপাড়া এলাকার হাসমত উল্লাহর ছেলে।
নিহত পাভেলের বড় ভাই মাসুম জানান, ঈদের দিন সকালে ‘কবুতর বাবু’ পিস্তল দিয়ে পাভেলের বুকে গুলি করে পালিয়ে যান। পরে গুরুতর অবস্থায় পাভেলকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়া হয়।
সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফুল ইসলাম বলেন, ভোর ৪টার ঘটনা। তখন পাভেল নামে ওই যুবক রাস্তায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়েছিল।
পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল সাড়ে ৩টায় তিনি মারা যান।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক তদন্ত ও স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরেছি অভিযুক্ত রায়হান বাবু এলাকায় মাদক সেবনসহ মাদক ব্যবসা করতেন। পাভেল তার পূর্ব পরিচিত। দুজনের মধ্যে সম্পর্ক এবং যাওয়া আসা ছিল।
ধারণা করা হচ্ছে, মাদক কেনাবেচার টাকা লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে। এ ঘটনায় মামলা হবে এবং আমরা তদন্তসহ অভিযুক্ত রায়হান বাবুকে আটকের চেষ্টা করছি।