বাড়ল স্মারক স্বর্ণ ও রৌপ্যমুদ্রার দাম
Published: 16th, February 2025 GMT
সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
দেশের ইতিহাসে যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে সোনার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৪৯ হাজার ৮১২ টাকা। এমন পরিস্থিতিতে স্মারক স্বর্ণমুদ্রার দাম ফের বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে রৌপ্যমুদ্রার দাম।
প্রতিটি স্বর্ণমুদ্রার দাম ১০ হাজার টাকা করে বাড়িয়ে এক লাখ ৩৫ হাজার টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এতদিন যা ছিল এক লাখ ২৫ হাজার টাকা। স্বর্ণের পাশাপাশি রৌপ্যমুদ্রার দাম এক হাজার টাকা বাড়িয়ে ৭ হাজার টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন এ দাম রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে সোনার দাম বাড়ার কারণে এ দাম বাড়ানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, এখন থেকে ২২ ক্যারেট সোনা দিয়ে তৈরি করা ১০ গ্রাম ওজনের স্মারক স্বর্ণমুদ্রার (বাক্সসহ) প্রতিটি বিক্রি হবে এক লাখ ৩৫ হাজার টাকায়। বর্তমানে বাজারে ১১টি স্মারক রৌপ্যমুদ্রা (ফাইন সিলভার) রয়েছে। রুপার স্মারক মুদ্রার ওজন ২০ গ্রাম থেকে ৩১ দশমিক ৪৭ গ্রাম। রৌপ্যমুদ্রার দাম ৭ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এএ
.উৎস: SunBD 24
কীওয়ার্ড: এক ল খ
এছাড়াও পড়ুন:
রাজধানীর মানিকনগরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় পথচারী নারী নিহত
রাজধানীর মুগদার মানিকনগরে রাস্তা পারাপারের সময় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় মোছা. সুমী আক্তার (২৫) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। সুমী টিউশনি করতেন। পাশাপাশি কোচিং সেন্টারে চাকরি করতেন বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় সুমীকে উদ্ধার করে দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
সুমীকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন মেজবাহ মোল্লা নামের এক প্রতিবেশী। তিনি বলেন, সুমী রাত সাড়ে ৯টার দিকে এলাকায় একটি টিউশনি শেষ করে বাসায় ফেরেন। পরে তাঁর আড়াই বছর বয়সী একমাত্র মেয়ের জন্য দোকান থেকে কেক কিনে বাসায় দিয়ে আবার আরেকটি টিউশনির জন্য বের হন। রাস্তা পারাপারের সময় ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশা তাঁকে ধাক্কা দেয়। তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়েন। গুরুতর আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, লাশটি কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।
সুমী মুগদার বাসিন্দা সাজু মিয়ার মেয়ে। সুমী মানিকনগরের ওয়াসা রোডে পরিবার নিয়ে থাকতেন। তাঁর স্বামীর নাম মো. মাহফুজ রহমান।