Samakal:
2025-04-04@03:29:43 GMT

তিন সিনেমা নিয়ে শ্রুতি

Published: 16th, February 2025 GMT

তিন সিনেমা নিয়ে শ্রুতি

বাবা অভিনেতা কমল হাসান, মা অভিনেত্রী সারিকা। তাই চলচ্চিত্র জগতে পা রাখা খুব একটা কঠিন ছিল না শ্রুতি হাসানের জন্য। মাত্র ছয় বছর বয়সে গায়িকা হিসেবে অভিষেক হয় তাঁর। অভিনয় জগতেও শ্রুতির হাতেখড়ি হয় ছোটবেলায়। আপাতত থিতু হয়েছেন অভিনয়েই। এ মুহূর্তে দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রে শ্রুতি হাসান প্রথম সারির নায়িকাদের একজন। চলতি বছরে এ অভিনেত্রী হাজির হচ্ছেন তিন সিনেমা নিয়ে।

আসছে ১২ এপ্রিল ভারতজুড়ে মুক্তি পাবে শ্রুতি অভিনীত ‘কুলি’। এ সিনেমায় শ্রুতি অভিনয় করেছেন রজনীকান্তের সঙ্গে। লোকেশ কঙ্গরাজ পরিচালিত এ চলচ্চিত্রটির অন্যতম মূল চরিত্র তিনি। অ্যাকশন থ্রিলার ছবিটিতে তাঁর অভিনীত চরিত্রের নাম ‘প্রীতি’। এরই মধ্যে চলচ্চিত্রটির শুটিং শুরু হয়েছে। এরপর মুক্তি পাচ্ছে ‘সালার পার্ট ২’।

২০২৩ সালে ভারতীয় বক্স অফিসে ঝড় তোলে প্রভাস ও শ্রুতি হাসান অভিনীত ‘সালার’ সিনেমা। দীর্ঘদিন অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি বছর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে প্রভাস ও শ্রুতির অভিনীত সালার পার্ট-২। এটি পরিচালনা করেছেন প্রশান্ত নীল। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পাবে চলতি বছর ১৪ নভেম্বরে।

এরপর মুক্তি পাবে ‘জননায়ক’। এ সিনেমায় তাঁর নায়ক বিজয় থালাপাতি। এটি বিজয়ের ৬৯তম সিনেমা। এ সিনেমার মাধ্যমে ক্যারিয়ারে ইতি টানতে চলেছেন বিজয় থালাপাতি।

জানা যায়, বিশেষ একটি চরিত্রে অভিনয় করতে চলেছেন এ অভিনেত্রী। সিনেমাটি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নির্মিত হতে চলেছে। সিনেমার শুটিং চলমান রয়েছে। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির তারিখ এখনও নিশ্চিত করেননি নির্মাতা এইচ বিনোথ। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলচ্চিত্রটি চলতি বছর অক্টোবরে মুক্তি পাবে।

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: চলচ চ ত র

এছাড়াও পড়ুন:

শুধু মা-বাবার নামটুকু বলতে পারছে আহত শিশু আরাধ্য

ছোট্ট শিশুটির বয়স বড়জোর সাত কি আট বছর। পরনে নতুন জামা। সেখানে নকশা করা দুটি রঙিন ফুল। রঙিন ফুল দুটি কেমন যেন বিবর্ণ ও বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে। সেখানে ছোপ ছোপ রক্ত ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আছে। কপালে, মুখে ও হাতেও শুকিয়ে যাওয়া রক্তের দাগ। হাসপাতালের শয্যায় শুয়ে থাকা শিশুটির শরীরজুড়ে তীব্র যন্ত্রণা। ব্যথায় কাতর। ঘুমের কোলে বারবার ঢলে পড়ছিল সে। ঘুম ভাঙলে চারপাশে এদিক-ওদিক তাকিয়ে কাকে যেন খুঁজছিল! একটুক্ষণের জন্য চোখ মেলে এরপর আবার ঘুমিয়ে পড়ে সে।

একটু পর ঘুম ভাঙে তার। পাশে থাকা ব্যক্তিটি ফিসফিস করে নাম জানতে চায় শিশুর। সঙ্গে মা-বাবা আর বাড়ির ঠিকানা। উত্তরে নিজের নাম বলতে পারে শিশুটি। জানায়, তার নাম আরাধ্য বিশ্বাস। আবার একটু থমকে যায়। মনে করার চেষ্টা করতে থাকে মা-বাবার নাম। কোনোভাবে জানাতে পারে, বাবার নাম দিলীপ বিশ্বাস, আর মা সাধনা বিশ্বাস। এরপর আর কিছু মনে পড়ে না ছোট্ট শিশু আরাধ্যর। মা-বাবার নাম বলতে বলতে আবার ঘুমিয়ে পড়ে সে। যন্ত্রণার ছাপ চেহারাজুড়ে।

আজ বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে এ দৃশ্য দেখা যায়। সড়ক দুর্ঘটনায় আহত শিশুটিকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে।

দুর্ঘটনাটি ঘটে আজ সকাল ৭টায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায়। এই দুর্ঘটনায় বাস-মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে মারা গেছে ১০ জন। বাসটি কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের দিকে এবং মাইক্রোবাসটি কক্সবাজারের দিকে যাচ্ছিল। নিহত ব্যক্তিরা সবাই মাইক্রোবাসের যাত্রী বলে জানায় পুলিশ। আহত শিশু আরাধ্য বিশ্বাসও এই মাইক্রোবাসের যাত্রী ছিল। ভাগ্যক্রমে প্রাণে রক্ষা পায় সে। তবে আহত হয়েছে গুরুতরভাবে। মা-বাবার নাম বলতে পারলেও মাইক্রোবাসটিতে তাঁরা ছিলেন কি না, থাকলেও কী অবস্থা, পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কেননা, গাড়িতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে বেঁচে যাওয়াদের মধ্যে রয়েছে দুজন। একজন শিশু আরাধ্য বিশ্বাস, বয়স সাত থেকে আট বছর। অন্যজন ২৩-২৪ বছরের একজন নারী। দুর্ঘটনার পর থেকে ওই নারীর জ্ঞান ফেরেনি। ফলে আহত ও নিহত ব্যক্তিদের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি তাৎক্ষণিকভাবে।

আহত অবস্থায় দুজনকে লোহাগাড়া থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়েছে। ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালের ২৮ নম্বর নিউরো সার্জারি ওয়ার্ডে। সেখানে চিকিৎসাধীন আছে দুজন। তাঁদের চিকিৎসাসেবা যুক্ত হাসপাতালের এক কর্মী বলেন, শিশুটি কোনোভাবে তার নাম ও মা-বাবার নাম বলতে পারছে। আর কিছুই মনে করতে পারছে না। শিশুটির আঘাত সম্পর্কে বলেন, মুখের বাঁ পাশে আঘাত পেয়েছে। দুটি পা ভেঙেছে। আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আর কোথায় আঘাত লেগেছে তা জানা যাবে।

হাসপাতালে ভর্তি নারী সম্পর্কে জানানো হয়েছে, তাঁর অবস্থা গুরুতর। হাসপাতালে আনার পর থেকে এখনো (বেলা ৩টা) পর্যন্ত জ্ঞান ফেরেনি। আঘাতের ধরন ও বিস্তারিত জানার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।

সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত দুজনের সেবায় এগিয়ে এসেছে সনাতন স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকেরা ধারণা করছেন, মাইক্রোবাসের যাত্রীরা কুষ্টিয়া অথবা ঝিনাইদহ থেকে আসছিলেন। ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। হতাহত ব্যক্তিদের সম্পর্কে বিস্তারিত পরিচয় জানতে তাঁরা স্থানীয়ভাবে খোঁজখবর নিচ্ছেন।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • কলকাতার দ্বিতীয় জয়ে হায়দরাবাদের তৃতীয় হার
  • যৌন হয়রানির ভয়ংকর অভিজ্ঞতা জানালেন অভিনেত্রী
  • যৌন হয়রানির ভয়ংকর অভিজ্ঞতা জানালেন অভিনেত্রী অঞ্জলি
  • নিষ্প্রভ মেসিতে মায়ামির হার
  • বিরল কাস্তে হাঁসের সন্ধানে
  • ১ নম্বরে ‘চাঁদ মামা’, ‘কন্যা’ কত নম্বরে
  • মাইক্রোবাসে গান বাজাতে বাজাতে প্রকৌশলীকে হত্যা 
  • মাইক্রোবাসে গান শুনতে শুনতে প্রকৌশলীকে হত্যা 
  • বন্দরে পঞ্চায়েত কমিটির দ্বন্দ্বে ঈদগায় হলনা ঈদ জামাত  
  • শুধু মা-বাবার নামটুকু বলতে পারছে আহত শিশু আরাধ্য