সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

সাভারের আশুলিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শিউলি আক্তার নামে একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ দুর্ঘটনায় এখনও আশঙ্কাজনক ৮ জনসহ ১০ জন জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি রয়েছেন।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বলেন, শিউলি আক্তারের শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

এর আগে, শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে আশুলিয়ার গোমাইল এলাকার আমজাদ ব্যাপারীর বাড়িতে গ্যাসের পাইপলাইন লিকেজ থেকে

দগ্ধরা হন- মোছা.

সূর্য বানু (৫৫), মোরাজছা. জহুরা বেগম (৭০), মো. মনির হোসেন (৪৩), সোহেল (৩৮), সুমন মিয়া (৩০), শিউলি আক্তার (২৫), শারমিন (২৫), ছামিন মাহমুদ (১৫), মাহাদী (৭), সোয়ায়েদ (৪) ও মোছা. সুরাহা (৩)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুই তলা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় সুমন দুই সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকতেন। আজ রাতে তার ভাই সোহেলের পরিবার সুমনের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। সোহেল অন্য স্থানে ভাড়া থাকতেন। তার মা সাতদিন সোহেলের বাসায় আর সাতদিন সুমনের বাসায় থাকতেন। কিন্তু আজ সবাই সুমনের বাসায় যান। শবে বরাত উপলক্ষে পিঠা বানানোর সময় বিস্ফোরণ হয়ে আগুন ধরে। এ সময় তাদের পরিবারের শিশু ও নারীসহ মোট ১১ জন দগ্ধ হয়।

নারী ও শিশু হাসপাতালের ডিউটি ম্যানেজার গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের হাসপাতালে নারী ও শিশুসহ ১১ জন দগ্ধ রোগী রাত সাড়ে ১০ টার দিকে নিয়ে আসেন। দগ্ধদের ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।

বিএইচ

উৎস: SunBD 24

এছাড়াও পড়ুন:

রাজধানীতে ছিনতাই হওয়া মুঠোফোন উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৫: র‍্যাব

রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকায় মুঠোফোন ছিনতাইয়ের ঘটনায় গতকাল বুধবার রাতে পাঁচ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। তাঁদের কাছ থেকে ছিনতাই করা একটি মুঠোফোন উদ্ধার করার কথা র‍্যাব জানিয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন প্রাপ্তবয়স্ক ও একজন কিশোর। প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরা হলেন মোহাম্মদ মারুফ (২২), মোহাম্মদ হৃদয় (২০), মো. সোহান (২৫) ও মোহাম্মদ রায়হান (১৮)। আরেকজন বয়সে কিশোর।

র‍্যাব-১-এর কোম্পানি কমান্ডার (সিপিসি-২) মেজর মুহাম্মদ আহনাফ রাসিফ বিন হালিম প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাতে দক্ষিণখানের কসাইবাড়ি এলাকায় এক ব্যক্তির মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায় দুই ছিনতাইকারী। পরে ভুক্তভোগী ব্যক্তি র‍্যাবের কাছে অভিযোগ করেন। বলেন, ছিনতাইকারীদের বিমানবন্দর রেলস্টেশনে অবস্থান করতে দেখেছেন তিনি। এই তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-১-এর নৈশকালীন টহল দল এলাকাটিতে অভিযান চালিয়ে তিন ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা র‍্যাব কর্মকর্তাদের বলেন, আবদুল্লাহপুরের বস্তিতে মুঠোফোনটি সাড়ে তিন হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন।

মেজর মুহাম্মদ আহনাফ রাসিফ বিন হালিম আরও বলেন, পরে র‍্যাবের দলটি গ্রেপ্তার তিন ছিনতাইকারীকে নিয়ে বস্তিতে অভিযান চালায়। তখন ছিনতাই করা মুঠোফোনটি আরেক চক্রের কাছে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি করার জন্য দরদাম ঠিক হচ্ছিল। এ সময় মুঠোফোনটি উদ্ধার করে র‍্যাব। এ ছাড়া আরও দুই ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সম্পর্কিত নিবন্ধ