শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনায় তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ
Published: 15th, February 2025 GMT
ইরানের তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনায় বিক্ষোভ হয়েছে। গত শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়টিতে এ বিক্ষোভে অংশ নেন কয়েক ডজন শিক্ষার্থী। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম আমির মোহাম্মদ খালেগি (১৯)। গত বুধবার ছিনতাইকারীর হামলায় নিহত হন তিনি।
নিরাপত্তার ঘাটতি নিয়ে আগে থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে কয়েক দফা অভিযোগ করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। তবে কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি—এমন অভিযোগ তুলে শুক্রবার থেকে বিক্ষোভ শুরু করেন তাঁরা।
গণমাধ্যমের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের স্লোগান দিতে দেখা গেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায়ও চলছিল বিক্ষোভ। সেখান থেকে দুই শিক্ষার্থীকে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা গ্রেপ্তার করেছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার রাতে শিক্ষার্থীদের জমায়েতে উপস্থিত ছিলেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রধান হোসেইন হোসেইনি। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি সহানুভূতি জানান। এএফপি, প্যারিস
এ বিক্ষোভের বিষয়ে সরকারের মুখপাত্র ফাতেমা মোহাজেরানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেছেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং তাঁদের পরিবারের নিরাপত্তা দেওয়া সরকারের দায়িত্ব এবং অগ্রাধিকার। শান্তি বজায় রেখে সংলাপের পথ খোলা রাখতে সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে সরকার।
.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে শিশুসহ ১৪ জন নিহত
ইউক্রেনের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ক্রিভি রিহের একটি আবাসিক এলাকায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৬ শিশুসহ অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত এটিই রাশিয়ার সবচেয়ে প্রাণঘাতি হামলা। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এসব তথ্য জানিয়েছেন।
গতকাল শুক্রবার এ হামলা চালায় রাশিয়া। ক্রিভি রিহ শহর জেলেনস্কির জন্মস্থান। রাশিয়া–ইউক্রেন সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগের মধ্যেই এ হামলার ঘটনা ঘটলো।
নিপ্রোপেত্রভক্সের গর্ভনর সেরহি লিসাক বার্তা আদানপ্রদানের অ্যাপ টেলিগ্রামে লিখেছেন, গতকালের হামলায় সেখানকার আবাসিক এলাকার কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে অগ্নিকান্ডের ঘটনাও ঘটেছে।
টেলিগ্রামে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, ফুটপাতে মৃতদেহ ও আহতদের দেহ পড়ে আছে। সেখানে একটি খেলার মাঠের ভিডিও রয়েছে। ভিডিওতে আকাশে ধূসর ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। তবে এসব ভিডিও যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
নিপ্রোপেত্রভক্সের গর্ভনর আরও বলেন, জরুরি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে হামলায় অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছে। আহতদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ইতিমধ্যে ৩০ জনেরও বেশি আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩ মাসের শিশুও রয়েছে।
স্থানীয় একটি মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, হামলায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে রুশ বাহিনী। এই ধরনের অস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে মাত্র কয়েক মিনিট সময় নেয়। অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া এগুলো ধ্বংস করা কঠিন।