ব্যক্তিগত জীবন ও কাজ নিয়ে সবসময় আলোচনায় থাকেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সরব তিনি। বিভিন্ন সময়েই ভক্তদের সঙ্গে নানা মুহূর্তের ঘটনা কিংবা ছবি শেয়ার করতে দেখা যায় তাকে। এবার ভালোবাসার মানুষকে নিয়ে পোস্ট করলেন এই অভিনেত্রী।

ভালোবাসা দিবসের একদিন পর অর্থাৎ আজ নিজের ও ভক্তদের উদ্দেশে নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি। যেখানে তিনি লিখেছেন, ‘ভালোবাসার মানুষকে নিয়ে দুনিয়া জয় করা যায়। অভিনেত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক স্ট্যাটাসে বলেন, শোনো সরল অবুঝ প্রাণ, রাতের রাস্তায় নিয়ন আলোর ছায়ার নিচে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটি হোক, শাহরুখ খান বা স্বয়ং বিল গেটস, সবাই তার প্রাণের মানুষটিকে তার নিজের নাম ছাড়িয়েই দেখতে চায় পৃথিবীতে। 

পরী আরও বলেন, পৃথিবীর সবাই চায় তার নিজ কাজ সবাইকে ছাড়িয়ে তার নাম হোক। কিন্তু সেটা কখনো রিভেঞ্জ ওয়েতে নয়! অন্তত যাকে তুমি ভালোবাসে নিজের বলে জানো। ভালোবাসার মানুষকে ছাড়িয়ে যেতে নেই। তাকে সঙ্গে নিয়েও দুনিয়া জয় করা যায়। পরীমণির পোস্টে মন্তব্য করেছেন অনেক অনুরাগী। ভক্তরা পরীর কথার সঙ্গে একমত প্রকাশ করেছেন। অনেকেই অভিনেত্রীকে ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। 

সম্প্রতি সংগীতশিল্পী শেখ সাদীর সঙ্গে নাম জড়িয়েছিল নায়িকার। একটি মামলার সাক্ষ্য দিতে আদালতে তলব করা হয় তাকে। নির্দিষ্ট দিনে গরহাজির হওয়ার কারণে পরীর ওপর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। সেই সময় তাঁর জামিনের ব্যবস্থা করেছিলেন গায়ক। আদালতে পরীমণির পাশে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। মিষ্টি চেহারার যুবক গায়ক প্রকাশ্যে প্রেমের কথা জানাতেই শোরগোল। সে সময় পরীমণি বিষয়টি অস্বীকার করেন। তার পরেই এই ধরনের পোস্ট নতুন করে ভাবাচ্ছে ভক্ত অনুরাগীদের।
 

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

বগুড়া‌র মি‌নি জাফলং‌য়ে গোসল কর‌তে গি‌য়ে শিশুর মৃত্যু

বগুড়ার শেরপুরে মিনি জাফলং নামে পরিচিত বাঙালি নদীতে গোসল করতে গিয়ে সাদাত হোসেন (১২) নামে এক শিশু প্রাণ হারিয়েছে।  

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকালে সুঘাট ইউনিয়নের জোড়গাছা ব্রিজের নিচে বাঙালি নদীতে স্রোতের সাথে ভেসে শিশুটি ডুবে যায়। 

সাদাত হোসেন ধনুট উপজেলার বিল চাপরি গ্রামের ইকবাল হোসেনের ছেলে।

সাদাতের নানা মোখলেসুর রহমান জানান,  ঈদে শিশুটি আমার বাড়ি সুত্রাপুর বেড়াতে আসে।  আজ (শুক্রবার) সকালেই সে মিনি জাফলং নামে পরিচিত বাঙালি নদীতে অন্যান্য শিশুদের সাথে গোসল করতে যায়। এ সময় পা পিছলে পড়ে পানির স্রোতে ভেসে নদীর গভীরে ডুবে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা পর তাকে উদ্ধার করে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউস ইন্সপেক্টর বখতিয়ার উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটি উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

ঢাকা/এনাম/টিপু

সম্পর্কিত নিবন্ধ