Prothomalo:
2025-03-31@08:34:10 GMT

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের নাম বদল

Published: 15th, February 2025 GMT

বদলে গেল বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের নাম। নতুন নামকরণ হয়েছে জাতীয় স্টেডিয়াম, ঢাকা। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এই তথ্য জানানো হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে এই প্রথম কোনো স্টেডিয়ামের নাম বদল করল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই স্টেডিয়াম ঢাকা স্টেডিয়াম নামে পরিচিত ছিল দীর্ঘদিন। রাষ্ট্রীয় অনেক ক্রীড়া অনুষ্ঠানও এই স্টেডিয়ামে হয়েছে। ক্রিকেট-ফুটবল এখানে ভাগাভাগি করে হতো। ২০০০ সালে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট এখানেই হয়েছিল। এরপর ক্রিকেট এই স্টেডিয়াম থেকে সরে যায়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতার আসার পর ১৯৯৮ সালে স্টেডিয়ামটির নামকরণ করা হয় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম।

গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বেশ কিছু স্টেডিয়ামের নাম বদল করেছে। উপজেলা পর্যায়ে ১৫০টি স্টেডিয়ামের নাম বদল হয় ১২ ফেব্রুয়ারি। এগুলো শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নামে পরিচিত ছিল। স্ব স্ব উপজেলার নামে এগুলোর নতুন নামকরণ হয়েছে।

দেশের নানা স্থাপনার মতো ক্রীড়াঙ্গনের অনেক স্থাপনাও বিদায়ী সরকার প্রধানের পরিবারের অনেক সদস্যের নামে ছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্রীড়াঙ্গনেও ওই পরিবারের নামে কোনো স্থাপনার নামকরণ না রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে উপজেলা পর্যায়ে স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তনের পর এবার দেশের মূল স্টেডিয়ামের নাম বদল করা হলো।

.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: স ট ড য় ম র ন ম বদল ন মকরণ সরক র

এছাড়াও পড়ুন:

রাঙামাটি কারাগারে কারাবন্দিদের ঈদ উদযাপন

ঈদের দিন পরিবারের সঙ্গে আনন্দ উদযাপনের সুযোগ সবার থাকে না; বিশেষ করে কারাগারে বন্দিদের। বিষয়টি ভেবে বন্দিদের জন্য বিশেষ আয়োজন করেছে রাঙামাটি কারা কর্তৃপক্ষ। কারাবন্দিরা যেন ঈদে নিজেদের মধ্যে আনন্দ ভাগ করে নিতে পারেন সেজন্য ঈদের বিশেষ নামাজ, উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের পাশাপাশি স্বজনদের সঙ্গে দেখা করার ব্যবস্থা রেখেছেন কারা কর্তৃপক্ষ।  

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, সকাল সাড়ে আটটায় কারাবন্দিরা কারাগারের মধ্যেই আদায় করছেন ঈদের নামাজ। এরপর সবাই একসঙ্গে বসে ঈদের সেমাই খেয়েছেন। বন্দিদের জন্য  দুপুর ও রাতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খাবারের আয়োজন। 

ঈদের এই বিশেষ দিনে বন্দিরা যাতে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারে এ জন্য কারা কর্তৃপক্ষ স্বজনদের সুযোগ দিয়েছেন। যারা দেখা করতে এসেছেন তাদের ফুল ও মিষ্টি দিয়ে বরণ করে নিয়েছেন। এমন আয়োজনে খুশি স্বজনরাও।

কারাবন্দির সাথে দেখা করতে আসা স্বজন নূর মোহাম্মদ জানান, খুব সুন্দর আয়োজন করেছে এবার জেল কর্তৃপক্ষ। গত বছরও আমি এসেছিলাম আত্মীয়র সাথে দেখা করতে, কিন্তু এবারের আয়োজন ভিন্ন মনে হয়েছে। তারা আমাদের ফুল ও মিষ্টি দিয়ে বরণ করেছে। আমি আত্মীয়র সাথে কথা বলেছি, তিনি জানিয়েছেন জেলের পরিবেশ ভালো, সবাই মিলে ঈদের নামাজ শেষে সেমাই খেয়েছেন। দুপুর ও রাতে ভালো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কারাগারে এ ধরনের পরিবেশ সত্যি খুব  ভালো লাগছে।

রাঙামাটি কারাগারের জেল সুপার দিদারুল আলম বলেন, ‘‘স্বজনহীন কারাবন্দিদের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দিতে কারা কর্তৃপক্ষ এমন আয়োজন করেছে। আমরা চাই জেলের বিষয়ে মানুষের গতানুগতিক যে ধারণা, সেটা পরিবর্তন হোক।’’

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কারাবন্দি ও স্বজনদের নিয়ে ভিন্ন কিছু আয়োজনের নির্দেশনা দিয়েছেন বলেই এমন আয়োজন সম্ভব হয়েছে বলে জানান দিদারুল আলম। 

শংকর//

সম্পর্কিত নিবন্ধ