ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসির বার্ষিক ব্যবস্থাপক সম্মেলন রাজধানীর গুলশান-১ এ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মু. ফরীদ উদ্দীন আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যোগ দেন নিরীক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান শেখ জাহিদুল ইসলাম, স্বতন্ত্র পরিচালক ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ড.

শহিদুল ইসলাম জাহীদ, শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির সদস্য মুফতি ড. মো. আনোয়ার হোসেন মোল্লা এবং অধ্যাপক এ এন এম রশীদ আহমাদ। সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) শফিউদ্দিন আহমেদ। 

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে সম্মেলনে অংশ নেওয়া সব শাখা ব্যবস্থাপকদের উদ্দেশে বলেছেন, “ইউনিয়ন ব্যাংক দেশে-বিদেশে সেবা এবং ব্যবসায়িক সাফল্যের যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, তা অব্যাহত রাখতে হবে। ইউনিয়ন ব্যাংক যে পূর্ণাঙ্গ ইসলামিক ব্যাংক তা যথোপযুক্তভাবে তুলে ধরতে হবে। গ্রাহকদের পূর্ণ আস্থা অর্জনের মাধ্যমে দেশের সেরা ব্যাংকে পরিণত হতে হবে।” 

সম্মেলনে ব্যাংকের আমানত, বিনিয়োগ, বৈদেশিক বাণিজ্য, প্রবাসী আয় এবং চলমান বিভিন্ন বিষয়ের ওপর বিশদ আলোচনা হয়। কাঙ্ক্ষিত সেবাদানের মাধ্যমে ২০২৫ সালের ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণে শাখা ব্যবস্থাপকদেরকে পরামর্শ দেওয়া হয়।

ঢাকা/রফিক

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ব যবস থ

এছাড়াও পড়ুন:

দেড় দশক রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার আলেম-ওলামারা: হাসনাত আবদুল্লাহ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, গত দেড় দশক ধরে দেশে ইসলামিক পড়াশোনা, বিশেষ করে মাদ্রাসাগুলোকে সবসময় দ্বিতীয় গ্রেডের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করা হতো। আলেম-ওলামাদের সবকিছু থেকে বঞ্চিত রাখা হতো। জাতীয় পর্যায় থেকে স্থানীয় পর্যায় পর্যন্ত তাদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার সুজাত আলী সরকারি কলেজ মাঠে এনসিপি আয়োজিত হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা ৫ আগস্ট-পরবর্তী বাংলাদেশকে একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ হিসেবে তৈরি করতে পেরেছি। তবে এখনও দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। ষড়যন্ত্র অব্যাহত থাকার পরও আমরা ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছি। আমাদের সবসময় সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতের জন্য সবাইকে সতর্ক করে দিচ্ছি, বিভিন্নভাবে আপনাদের ব্যবহার করা হতে পারে। আমরা অতীতে যেভাবে পরমতসহিষ্ণুতার পরিচয় দিয়েছি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে পরিচয় দিয়েছি, ভবিষ্যতেও এই পরিচয় অব্যাহত রাখব।

উপস্থিত ব্যক্তিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কুমিল্লার যত আসন রয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য দেবিদ্বার। আমরা প্রত্যাশা করব, সে আসনটি শিগগিরই এনসিপির আসন হিসেবে বিবেচিত হবে এবং সেটির জন্য আপনাদের সহায়তা চাই।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামপুর জামিয়া ইসলামিয়া কাসেমুল উলুমের মুহতামিম হাফেজ মাওলানা লোকমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব হাফেজ নাজির মাহমুদ প্রমুখ।

সম্পর্কিত নিবন্ধ