দিনাজপুরে বাসের ধাক্কায় শিশুসহ নিহত ২
Published: 14th, February 2025 GMT
দিনাজপুরের কাহরোল উপজেলায় রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় অটোতে থাকা এক নারী শিশুসহ নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে উপজেলার রংপুর- দিনাজপুর মহাসড়কে গড়নাড় পুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, বাসের ধাক্কায় অটোতে থাকা শিশুসহ এক নারী গুরুতর আহত হলে তাদের দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতরা হলেন- দিনাজপুর সদর উপজেলার হীরাহাট এলাকার শরিফুল ইসলামের স্ত্রী নারগিস বেগম (৪০) ও রামডুবি গ্রামের শুভ ইসলামের মেয়ে হুমায়রা (২ মাস)।
দশমাইল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.
তিনি বলেন, “বিকাল ৪ দিকে দিনাজপুর-রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কে কাহারোল উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও অটোর সংঘর্ষ হলে দুজন গুরুতর আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।”
ঢাকা/মোসলেম/এস
উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
‘বাঘের থাবার দাগ’ সময়ের স্মারক হয়ে আছে যে মসজিদের দেয়ালে
জায়গাটিতে তখন এত মানুষের বসতি ছিল না। ঝোপ-জঙ্গলে স্থানটি দুর্গম ছিল, অন্য রকম ছিল। বাঘসহ অন্য সব বন্য প্রাণীর বিচরণ ছিল এই স্থানটিতে। এটা অনুমান করা যায় পাঁচ শতাধিক বছর আগের তৈরি মসজিদের দেয়ালের একটি চিহ্ন থেকে। স্থানীয়রা বিশ্বাস করেন, ওই চিহ্নটি ‘বাঘের পায়ের থাবার’। সেই দাগ এখনো দেয়ালটিতে সময়ের স্মারক হয়ে আছে। মসজিদটিতে সময়ে সময়ে নানা রকম সংস্কার ও উন্নয়নকাজ হয়েছে। তবে পুরোনো আদল, ‘বাঘের থাবার চিহ্ন’, ফুলের নকশা এখনো বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে।
মসজিদটির নাম ‘গয়ঘর ঐতিহাসিক খোজার মসজিদ’। অবস্থান মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নে। প্রাচীন স্থাপত্যকলার এক অনন্য নিদর্শন হয়ে এখনো মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় টিকে আছে। শুধু স্থানীয় মানুষই নয়, আশপাশের এলাকাসহ দূরদূরান্ত থেকে অনেক মানুষ আসেন মসজিদটি দেখতে, নামাজ পড়তে। মসজিদকে কেন্দ্র করে নানা কাহিনিরও কমতি নেই।
গত বুধবার (২৬ মার্চ) বিকেলে মসজিদটিতে গিয়ে দেখা গেছে, তখন সূর্য অনেকটাই হেলে পড়েছে পশ্চিমের দিকে। আসরের নামাজের সময় হয়ে গেছে। আজান পড়তেই চারদিক থেকে মুসল্লিরা নামাজ পড়তে ছুটে এসেছেন। স্থানীয় লোকজন জানালেন, পাঁচ ওয়াক্তের নামাজের সময় এ রকমই হয়ে থাকে। তবে শুক্রবারে জুমার নামাজে প্রচুর মুসল্লির সমাগম ঘটে। ঐতিহাসিক মসজিদে নামাজে শামিল হতে অনেক দূরের মানুষ এখানে ছুটে আসেন। তখন অনেক সময় মুসল্লিদের স্থান সংকুলান কঠিন হয়ে পড়ে। স্থান সংকুলান না হওয়ায় মসজিদের পুরোনো ভবন অক্ষুণ্ন রেখে মসজিদের পূর্ব ও উত্তর দিকে জায়গা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। দক্ষিণ পাশেও অস্থায়ীভাবে শামিয়ানা টাঙিয়ে নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মসজিদের ভেতরের পূর্ব দিকের দেয়ালের থামে এই দাগটি বাঘের থাবার বলে বিশ্বাস করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গত বুধবার মৌলভীবাজার সদর উপজেলার গয়ঘরে