ভালোবাসা দিবসে প্রেমিকার ছবি প্রকাশ করে হইচই ফেলে দিয়েছেন পঁচাত্তরের প্রেমিক কবীর সুমন। যে তরুণীর ছবি প্রকাশ করেছেন, তার নাম সৌমি বসু মল্লিক। পেশায় শিক্ষিকা।

কবীর সুমনের পাশে হাঁটুর বয়েসি তরুণীকে দেখে অনেক ভক্ত-অনুরাগী প্রশংসা করছেন, কেউ কেউ যে বাঁকা চোখে দেখছেন না তা-ও কিন্তু নয়। যে যেভাবেই দেখুক না কেন, কবীর সুমনের জীবনে ফের নিঃশব্দে প্রেম এসেছে। তার ভাষায়— “এসেছো প্রেম, এসেছো আজ কী মহা সমারোহে।”

সৌমি বসু মল্লিকের সঙ্গে কবীর সুমন। ফাগুনের সকালে ছবিটি প্রকাশ করেন গানওয়ালা

আরো পড়ুন:

রঙিন ফাগুনে প্রেমিকার ছবি প্রকাশ করলেন পঁচাত্তরের কবীর সুমন!

কিস ডে: অভিনেত্রী ঋর চুমু বৃত্তান্ত

সৌমি কি হয় তা ব্যাখ্যা কবীর সুমন বলেন, “সৌমি আমার প্রাণের বন্ধু, আমার স্বজন। আমি তো বুড়ো হয়ে গিয়েছি। রাতে আমার একা থাকা বারণ। যে দু’-তিনজন রাতে আমার সঙ্গে বাড়িতে থাকেন, সৌমি তাদের মধ্যে একজন। সে আমায় ওষুধ দেয়; খাওয়াদাওয়ার দেখভাল করে।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ছবির পেছনের ঘটনা বর্ণনা করে কবীর সুমন বলেন, “সৌমি স্কুলে চাকরি করে। সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং বেরিয়ে যায়। আজ যখন বের হচ্ছিল, তখন বললাম, একটা ছবি তুলি! বারান্দায় গিয়ে তখনই ছবিটি তোলা হয়।”

কবীর সুমন আলাপের শুরুতে সৌমিকে ‘প্রাণের বন্ধু’ বললেও ‘প্রেমিকা’ বলতে আড়ষ্ট বোধ করেন। কিন্তু পরের দিকে ‘প্রেমিকা’ বলেই মানেন। ভালোবাসা দিবসে ‘প্রেমিকার’ সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছাও প্রকাশ করেন এই গায়ক।

কবীর সুমন বলেন, “প্রেম দিবসের পরিকল্পনা বলতে আমরা একে অপরের দিকে তাকিয়ে থাকি। আদর করি, চুমু খাই, নিজেকে নিয়ে হাসাহাসি করি। উল্টোপাল্টা কথা হবে, গুনগুন করে গান গাইব।”

অঙ্কের হিসাবে কবীর সুমনের বয়স হয়েছে। কিন্তু সত্যি কি তার বয়স হয়েছে? তার ভাষায়, “বয়স হয় না মানে? হয়, হয়, তবে তা শরীরে।”

ঢাকা/শান্ত

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে বেরিয়ে প্রাণ হারাল দুজন 

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় সোমবার সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীসহ দুই কিশোর নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন, উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের কাহালগাঁও ভাওড়পাড়া এলাকার আজহারুল ইসলামের ছেলে আশিকুর হক (১৬) ও একই গ্রামের মক্তবপাড়া এলাকার আকরামের ছেলে মিনহাজ (১৬)। আশিকুর এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। 

স্থানীয়রা জানান, ঈদের দিন মোটরসাইকেলে তিন বন্ধু পাশের টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কুতুবপুর বাজারের কাছে গেলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই মিনহাজ মারা যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আশিকুর মারা যায়। এ ঘটনায় তাদের সঙ্গে থাকা অপর বন্ধু জিহাদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ফুলবাড়িয়া থানার ওসি রাশেদুজ্জামান বলেন, এ ব্যাপারে সখিপুর থানায় কোনো অভিযোগ  হয়নি।

 

 

সম্পর্কিত নিবন্ধ