শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি-৭ এ আবারও রাশিয়াকে দেখতে চান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, মস্কোকে এ জোট থেকে বের করা ছিল বড় ভুল। আমি ওদের আবার পেলে খুশিই হবো। আমার মনে হয়, ওদের বের করে দেওয়াটা ভুল ছিল। দেখুন এটা রাশিয়াকে পছন্দ করা বা না করার প্রশ্ন নয়। এটা জি-৮ ছিল। খবর রয়টার্সের।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, রাশিয়াও জোটটিতে ফিরতে মুখিয়ে আছে বলেই তার ধারণা। ট্রাম্প বলেন, আমি বলেছিলাম- তোমরা করছো কী? তোমরা যে দেশের সম্বন্ধে বলছো সেটা রাশিয়া এবং তাদের অবশ্যই (শিল্পোন্নত দেশগুলোর) এই টেবিলে বসা উচিত। আমার মনে হয় পুতিনও ফিরতে চাইবেন।

চলতি বছর জি-৭ এর সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করছে কানাডা। ট্রাম্পের এই মন্তব্য নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কানাডার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, রাশিয়া যখন এ জোটে ছিল তখন এর নাম ছিল জি-৮; ২০১৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেইনের ক্রাইমিয়া দখলের পর বাকি সদস্যরা মস্কোকে বহিষ্কার করলে জোটের নাম জি-৭ হয়ে যায়।

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

‘ম্যাডাম ফুলি’ নির্মাতা শহিদুল ইসলাম খোকনকে হারানোর নয় বছর

আশি ও নব্বই দশকের নির্মাতা শহীদুল ইসলাম খোকনের সিনেমা মানেই হলে উপচেপড়া ভিড়। একের পর এক অ্যাকশনধর্মী সিনেমা দিয়ে দর্শক মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। তখন তার সিনেমা মুক্তি পাওয়া মানেই ছিল, প্রেক্ষাগৃহের টিকিট কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইন। গুণী চলচ্চিত্র নির্মাতা শহীদুল ইসলাম খোকনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

দীর্ঘদিন মুখগহ্বরের মোটর নিউরন ডিজিসে (এএলএস) আক্রান্ত হয়ে ভুগছিলেন নির্মাতা খোকন। এরপর ২০১৬ সালের আজকের এই দিনে সকাল সোয়া আটটায় রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন তিনি।

শহীদুল ইসলাম খোকনের জন্ম ১৯৫৭ সালের ১৫ মে। জনপ্রিয় অভিনেতা ও প্রযোজক সোহেল রানার সঙ্গে পরিচয় ও সখ্যের সূত্রে ঢাকার চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন তিনি। শুরুটা হয় সোহেল রানার সহকারী হিসেবে। খোকনের নিজের বানানো প্রথম সিনেমা ছিল ‘রক্তের বন্দী’।

শুরুর দিকে খোকনের সিনেমা ভালো ব্যবসা করতে না পারলেও চিত্রনায়ক রুবেলকে নিয়ে খোকনের ‘লড়াকু’ দারুণ সাফল্য পায়। এরপর ‘পালাবি কোথায়’, ‘ম্যাডাম ফুলি’, ‘ভণ্ড’, ‘ঘাতক’, ‘লড়াকু’, ‘বীরপুরুষ’, ‘লাল সবুজ’, ‘বজ্রমুষ্ঠি’, ‘সতর্ক শয়তান’, ‘বিষদাঁত’, ‘উত্থান পতন’ ও ‘টপ রংবাজ’-এর মতো বহু দর্শকপ্রিয় সিনেমা এসেছে তার হাত দিয়ে। দুটি সিনেমায় অভিনয় ছাড়াও তিনি নির্মাণ করেছেন প্রায় ৪০টির মতো সিনেমা।

ড্যানি সিডাক, ইলিয়াস কোবরার মতো অ্যাকশন সিনেমার অনেক অভিনেতাই ঢাকাই সিনেমায় এসেছেন শহীদুল ইসলাম খোকনের হাত ধরে। তার চলচ্চিত্রে মন্দের বিরুদ্ধে ভালোর, অপরাধীর বিরুদ্ধে সচেতন নাগরিকের লড়াই এসেছে বার বার। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনাও তার চলচ্চিত্রকে ছুঁয়ে গেছে। তিনি তার কাজের মাধ্যমে যুগ যুগ বেঁচে থাকবেন দর্শক মনে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ