ময়মনসিংহের ভালুকায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা-মাহিন্দ্র ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন এবং অপর এক যাত্রী আহত হয়েছেন।

নিহতরা হলেন উপজেলার চান্দারাটি নদীর পাড় এলাকার আব্দুল ওয়াদুদের ছেলে মনির হোসেন (৪০) এবং সাতেঙ্গা এলাকার আব্দুল হাইয়ের ছেলে মো. হামিদ (৩০)। আহত অটোরিকশা চালক ধলিয়া এলাকার আহমদ মিয়ার ছেলে মো.

শাহজালাল (৪০)।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে দশটার দিকে উপজেলার গোয়ারী ভাওয়ালিয়া বাজু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ভালুকা-গফরগাঁও সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ভালুকা ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র অফিসার আতিকুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভালুকাগামী একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা ভালুকা-গফরগাঁও সড়কের গোয়ারী ভাওয়ালিয়া বাজু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী একটি মাহিন্দ্র ট্রাকের সাথে মুখামুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলে মনির নামে অটোরিকশা যাত্রীর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে ভালুকার ফায়ার সার্ভিস আহত দুজনকে উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক হামিদকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অটোরিকশা চালক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন। 

ভালুকায় মডেল থানা উপপরিদর্শক দুলাল চন্দ্র কুন্ডু বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মিলন//

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

‘বাঘের থাবার দাগ’ সময়ের স্মারক হয়ে আছে যে মসজিদের দেয়ালে

জায়গাটিতে তখন এত মানুষের বসতি ছিল না। ঝোপ-জঙ্গলে স্থানটি দুর্গম ছিল, অন্য রকম ছিল। বাঘসহ অন্য সব বন্য প্রাণীর বিচরণ ছিল এই স্থানটিতে। এটা অনুমান করা যায় পাঁচ শতাধিক বছর আগের তৈরি মসজিদের দেয়ালের একটি চিহ্ন থেকে। স্থানীয়রা বিশ্বাস করেন, ওই চিহ্নটি ‘বাঘের পায়ের থাবার’। সেই দাগ এখনো দেয়ালটিতে সময়ের স্মারক হয়ে আছে। মসজিদটিতে সময়ে সময়ে নানা রকম সংস্কার ও উন্নয়নকাজ হয়েছে। তবে পুরোনো আদল, ‘বাঘের থাবার চিহ্ন’, ফুলের নকশা এখনো বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে।

মসজিদটির নাম ‘গয়ঘর ঐতিহাসিক খোজার মসজিদ’। অবস্থান মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নে। প্রাচীন স্থাপত্যকলার এক অনন্য নিদর্শন হয়ে এখনো মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় টিকে আছে। শুধু স্থানীয় মানুষই নয়, আশপাশের এলাকাসহ দূরদূরান্ত থেকে অনেক মানুষ আসেন মসজিদটি দেখতে, নামাজ পড়তে। মসজিদকে কেন্দ্র করে নানা কাহিনিরও কমতি নেই।

গত বুধবার (২৬ মার্চ) বিকেলে মসজিদটিতে গিয়ে দেখা গেছে, তখন সূর্য অনেকটাই হেলে পড়েছে পশ্চিমের দিকে। আসরের নামাজের সময় হয়ে গেছে। আজান পড়তেই চারদিক থেকে মুসল্লিরা নামাজ পড়তে ছুটে এসেছেন। স্থানীয় লোকজন জানালেন, পাঁচ ওয়াক্তের নামাজের সময় এ রকমই হয়ে থাকে। তবে শুক্রবারে জুমার নামাজে প্রচুর মুসল্লির সমাগম ঘটে। ঐতিহাসিক মসজিদে নামাজে শামিল হতে অনেক দূরের মানুষ এখানে ছুটে আসেন। তখন অনেক সময় মুসল্লিদের স্থান সংকুলান কঠিন হয়ে পড়ে। স্থান সংকুলান না হওয়ায় মসজিদের পুরোনো ভবন অক্ষুণ্ন রেখে মসজিদের পূর্ব ও উত্তর দিকে জায়গা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। দক্ষিণ পাশেও অস্থায়ীভাবে শামিয়ানা টাঙিয়ে নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মসজিদের ভেতরের পূর্ব দিকের দেয়ালের থামে এই দাগটি বাঘের থাবার বলে বিশ্বাস করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গত বুধবার মৌলভীবাজার সদর উপজেলার গয়ঘরে

সম্পর্কিত নিবন্ধ