অনেকেই বলেন ভালোবাসার কোনো নির্দিষ্ট সংজ্ঞা নেই। প্রেম হতে পারে প্রেমিকার সঙ্গে, প্রকৃতির সঙ্গে, কিংবা স্রষ্টার সঙ্গে। এছাড়া একেকজন একেকভাবে ভালোবাসার সংজ্ঞা দেন। তবে ভালোবাসার সংজ্ঞা না দিতে পারাটাই ভালোবাসা বলে মনে করেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘ভালোবাসার সংজ্ঞা না দিতে পারাটাই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। কারণ, ভালোবাসা এমন একটি বিষয় সেটা বর্ণনা করা যায় না। এটা উপলব্ধির বিষয়।’ 

জীবনে অসখ্য রোমান্টিক গল্পে কাজ করেছেন মেহজাবীন। সেইসব অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, জীবনে আমরা যতটা স্বার্থহীন হতে পারি এবং নিজের ভালোটা বোঝার পর অন্যের ভালোটা করতে পারি সেটাও এক ধরণের ভালোবাসা। এই কয়েকটি বিষয়ই জীবন অর্থবহ করে তোলে।’

এর আগে নিজের ফেসবুক ভালোবাসার কথা বলতে গিয়ে মেহজাবীন বলেন, ‘প্রতিটা মানুষের জীবনে পারফেক্ট প্রেম একবারই আসে। ভালোবাসার মানুষ চলে গেলেও এই প্রেম কখনো চলে যায় না।’

এবারের ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে আসছে মেহজাবীনের ওয়েব কন্টেন্ট ‘নীল সুখ’।

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: ম হজ ব ন চ ধ র ম হজ ব ন

এছাড়াও পড়ুন:

আহতদের প্রয়োজনে বিদেশে পাঠানোর ঘোষণা উপদেষ্টা ফারুক ই আজমের

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে বিদেশে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম। 

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে আহতদের দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। আহতদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সবকিছু সরকারের পক্ষ থেকে করা হবেও বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এসময় উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

গত বুধবার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়ায় বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে দুই দম্পতিসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়। আহত তিনজন চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তারা হলেন-তাসনিয়া ইসলাম প্রেমা, আরাধ্য বিশ্বাস ও দুর্জয় মণ্ডল। এরমধ্যে প্রেমা ও আরাধ্য বিশ্বাস হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেন, সবকিছু ডাক্তারদের পরামর্শেই হবে। এখান থেকে যদি উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও নিতে হয় সেটাও চিকিৎসকদের পরামর্শ মতে করা হবে। আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য যদি বাইরে কোথাও নিতে হয় সরকারের পক্ষ থেকে আমরা উদ্যোগ নেব। চিকিৎসকদের পরামর্শে যা করা দরকার সবটুকু আমরা করব।

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আরাধ্যর মা-বাবা দুজনই মারা গেছেন। এটা অত্যন্ত হৃদয় বিদারক। তার শারীরিক অবস্থা আস্তে আস্তে উন্নতি হচ্ছে। তবে এখনও শঙ্কামুক্ত না। চিকিৎসকরা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ওষুধ হাসপাতালের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ