শবে বরাতে পটকা-আতশবাজি নিষিদ্ধ: ডিএমপি
Published: 13th, February 2025 GMT
পবিত্র শবে বরাতের রাতে সব ধরনের আতশবাজি, পটকা, বিস্ফোরকদ্রব্য কেনাবেচা, বহন ও ফাটানো নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
বৃহস্পতিবার ডিএমপি কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার দিনগত রাতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পবিত্র শবে বরাত উদযাপিত হবে। শবে বরাতের পবিত্রতা রক্ষা ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগর এলাকায় সকল প্রকার আতশবাজি, পটকা ফোটানো, বিস্ফোরক দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হলো।
.উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: ড এমপ
এছাড়াও পড়ুন:
পটুয়াখালীতে আতশবাজি ফোটাতে গিয়ে এক শিশু নিহত, দুই কিশোরের হাত-চোখ ক্ষতিগ্রস্ত
পটুয়াখালীতে আতশবাজি পোড়াতে গিয়ে মোহাম্মদ রাফি (৮) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার রাত ৯টার দিকে জেলা শহরের মুন্সেফপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পৌর নিউমার্কেটের মাছ ব্যবসায়ী মানির হাওলাদারের ছেলে রাফি। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় প্রথম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
এ ছাড়া আজ রাত সাড়ে ৮টার দিকে আতশবাজি ফোটাতে গিয়ে মো. বেলাল তালুকদার (১৬) ও তার চাচাতো ভাই মো. রাব্বির (১৫) হাত ও চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেলাল ও রাব্বির বাড়ি সদর উপজেলার হকতুল্লা গ্রামে।
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নয়ন সরকার জানান, আতশবাজির একটি অংশ রাফির শ্বাসনালিতে প্রবেশ করে মারাত্মক আঘাত করেছে। যে কারণে প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া আতশবাজির ঘটনায় আরও দুজন হাসপাতালে এসেছিল। তাদের হাত ও চোখ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দুজনকে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহত রাফির মামা আবুল বাশার ও প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন বলেন, রাফি তার বাড়ির পাশে একটি আতশবাজি ফোটায়। এ সময় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়ে আতশবাজির অংশবিশেষ রাফির গলা ভেদ করে শ্বাসনালিতে প্রবেশ করে। রাফির গলা থেকে প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ শুরু হয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। টের পেয়ে স্বজনেরা তাৎক্ষণিক রাফিকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অপর ঘটনায় আহত বেলাল ও রাব্বির ফুফা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে বেলাল ও রাব্বি একটি আতশবাজি হাতে নিয়ে ফোটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় আতশবাজিটি হাতে থাকা অবস্থায় বিস্ফোরিত হয়। এতে বেলালের ডান হাতের তালু, আঙুলসহ একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তার বাঁ চোখে প্রচণ্ড আঘাত লাগে। আর রাব্বির ডান হাতের তালু ও আঙুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দ্রুত দুজনকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিতে বলেছেন।
সিদ্দিকুর রহমান জানান, চিকিৎসক বলেছেন বেলালের হাতের একটি অংশ কাটা লাগতে পারে। তাই দুজনকে নিয়ে বরিশালে যাচ্ছেন।