নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। কমিশনের কাছে ভালো নির্বাচন না করার কোনো বিকল্প নেই। দেশে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক নেতাসহ বিভিন্ন মহলের সহায়তা দরকার।

সোমবার বিকেলে ভোটার তালিকা হালনাগাদ-২০২৫ উপলক্ষে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক কক্ষে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে হালনাগাদ ভোটার তালিকা করার সুবাদে এবার প্রথমবারের মতো তালিকা থেকে বাদ পড়ছেন প্রায় ১৬ লাখ মৃত ভোটার। এতে কারো কারচুপি করার সুযোগ থাকবে না।

নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে পর্যালোচনা করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ভালো একটি নির্বাচন এবং অতীতের গ্লানি মুছে ফেলতে কী কী করণীয় প্রয়োজন, তা নির্বাচন কমিশন উদঘাটন করেছে। সংস্কার প্রতিবেদন অনুযায়ী আমরা সিদ্ধান্ত নেব এবং সে অনুযায়ী কাজ করব।

জেলা প্রশাসক ড.

মানোয়ার হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার ইয়াছমিন খাতুন, ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ইউনুচ আলী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নাজিমুদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

এর আগে দুপুরে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার নালী কৃষ্ণ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোটার তালিকা নিবন্ধন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ইসি আনোয়ারুল ইসলাম। সেখানে তিনি বলেন, আমাদের নতুন ভোটার তালিকার টার্গেট ৫ শতাংশ, কিন্তু আমরা মানিকগঞ্জে এসে দেখলাম ভোটারদের আগ্রহ অনেক বেশি। মানুষের চাহিদা অনুযায়ী আগামী নির্বাচন অবশ্যই সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। আগামী নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা হালনাগাদ জরুরি। এ জন্য ভোটারদের বাড়ি গিয়ে তালিকা করা হচ্ছে। অবশ্যই এর ফল ভালো হবে। 

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

‘ঈদ’ বানানে ফিরছে বাংলা একাডেমি

বাংলা একাডেমি ‘ইদ’ থেকে ‘ঈদ’ বানানে ফিরছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান। 

পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘বাংলা ভাষার শুদ্ধতা ও ঐতিহ্য রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ বাংলা একাডেমি—‘ইদ’ থেকে ‘ঈদ’ বানানে ফেরার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত।’

বাংলা একাডেমি থেকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে লেখা ঈদকার্ডেও ব্যবহার করা হয়েছে ‘ঈদ মোবারক’। ঈদকার্ডটি বৃহস্পতিবার বাংলা একাডেমির ফেসবুকে পেজে পোস্ট করা হয়েছে। যাতে সংস্থাটির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজমের সই রয়েছে। 

এ বিষয়ে ড. মোহাম্মদ আজম জানান, ‘ঈদ’ বানানের মতো বিতর্কিত কিছু শব্দের পরিবর্তন নিয়ে কাজ করছে বাংলা একাডেমি। একটি কমিটি এরই মধ্যে কাজ করছে, সেটি রিফর্ম করে ঈদের পর আরেকটি কমিটি করা হবে। এরপর কমিটির সুপারিশে বাংলা একাডেমির অভিধানে নতুন সংস্করণে এসব পরিবর্তন আনা হবে।

প্রসঙ্গত, কয়েক বছর আগে বাংলা একাডেমি ‘ঈদ’ শব্দকে ‘ইদ’ বানানে লেখার প্রস্তাব করে। সে সময় থেকে প্রতি ঈদেই এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

সম্পর্কিত নিবন্ধ