একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। দিবসটি ঘিরে বাংলাদেশ টেলিভিশনে দেখানো হবে নাটক ‘ভুলিনি সেদিন’।  রবিউল আলমের রচনায় নাটকটি প্রযোজনা করেছেন শাহ জামান মিয়া।

নাটকের গল্পে দেখা যাবে, মিশা নামে এক তরুণী বাবা-মায়ের সঙ্গে বিদেশ থাকেন। বছরে দুই একবার দেশে আসার পর চাচাতো ভাই-বোনদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করে ও দাদিমার সঙ্গে আড্ডা দিয়েই তার সময় কেটে যায়। এবার মিশা দেশে এসেছে ফেব্রুয়ারি মাসে। আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবসকে মাথায় রেখেই ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে এসেছে সে। এ দিবসকে ঘিরে কী কী করা যায় তা নিয়ে চাচাতো ভাইবোন দীপা আর মিতুলের সঙ্গে আলাপ করেন মিশা। কিন্তু ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ার কারণে একুশে ফেব্রুয়ারি নিয়ে এতো উচ্ছ্বাস নেই মিতুলের। একুশের ইতিহাসটাও সে ঠিকমত জানে না।

একুশের ইতিহাস জানার পাশাপাশি দাদিমাকে নিয়ে মাতৃভাষা দিবস পালন ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দিনটি কাটান মিশা। এমনই গল্পে দেখা যাবে ‘ভুলিনি সেদিন’ নাটক।

নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী দিলারা জামান। এছাড়া আছেন তন্ময় বিশ্বাস, মাইশা, মিলি বাসার, আশরাফ টুলু, সামিয়া নাহি প্রমূখ।

নাটকটি নিয়ে দিলার জামান বলেন, “নাটকের গল্প অসাধারণ। নির্মাণও ভালো ছিল। এতে অনেক শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে। আশা করছি, নাটকটি সবার ভালো লাগবে।”

শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে নাটকটি বিটিভিতে প্রচার হবে।

রাহাত//

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ন টকট

এছাড়াও পড়ুন:

চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুইজনের মুত্যু 

চুয়াডাঙ্গায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ইয়াসিন আলী (২৪) ও মাহির তাজয়ার তাজ (১৫) নামে দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

বুধবার (২ এপ্রিল) চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নবিননগরে একটি ও গত ২৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে অপর দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত মাহির তাজওয়ার তাজ আলমডাঙ্গা উপজেলার গড়চাপড়া গ্রামের ইউসুফ আলী মাস্টারের ছেলে ও ইয়াসিন আলী  চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তালতলা গ্রামের দিদার আলীর ছেলে। 

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালিদুর রহমান, জানান, অসাবধানতা ও বেপরোয়া মোটরসাইকেল ড্রাইভ করতে যেয়ে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার বিকালে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নবিননগরে দুটি মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহির তাজওয়ার তাজ গুরুতর আহত হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। রাতে তার শারিরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে রাজশাহী নিয়ে যাওয়ার পথে রাত ৮ টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে মাহির মারা যায়। 

অন্যদিকে গত ২৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে ইয়াসিন আলী মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুতগামী ট্রাকের নিচে পড়ে যায়।  এসময় তার দুই পা ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে গুঁড়িয়ে যায়। তাকে প্রথমে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ৬ দিনের মাথায় বুধবার (২ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে ইয়াসিন মারা যায়। 

দুটি দুর্ঘটনায় কোনো পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের না করায় সুরতহাল রিপোর্ট শেষে স্ব স্ব পরিবারের কাছে তাদের মৃতদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। 

ঢাকা/মামুন/টিপু 

সম্পর্কিত নিবন্ধ