পটুয়াখালীর ৪টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা জামায়াতের
Published: 7th, February 2025 GMT
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক না হলেও পটুয়াখালী জেলার চারটি আসনের দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী। বুধবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের হল রুমে আয়োজিত সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
কেন্দ্রীয় সহকারী সাধারণ সম্পাদক মোয়াযযম হোসাইন হেলাল প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন পটুয়াখালী-১ (সদর-মির্জাগঞ্জ-দুমকী) আসনে জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান, পটুয়াখালী-২ (বাউফল) ঢাকা মহানগর জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক ড.
জেলা জামায়াতের আমির নাজমুল আহসানের সভাপতিত্বে সেখানে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, বরিশাল অঞ্চল টিম সদস্য মাওলানা একেএম ফখরুদ্দিন খান রাযী, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: জ ম য় ত র আম র
এছাড়াও পড়ুন:
এমএলএম ব্যবসা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান বাংলাদেশ ব্যাংকের
দেশের জনগণকে পিরামিড বা পঞ্জি স্কিম মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) ব্যবসা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ নিয়ে গতকাল রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বসাধারণের জন্য একটি সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিগত সময়ে দেশে কতিপয় প্রতিষ্ঠান বিধিবহির্ভূতভাবে গ্রাহকের আমানত বা বিনিয়োগ সংগ্রহ, রেফারেলের ভিত্তিতে কমিশন প্রদান এবং অস্বাভাবিক ও অযৌক্তিক হারে উচ্চ মুনাফা প্রদানের নামে প্রতারণার ঘটনা ঘটিয়েছে (যেমন যুবক, ডেসটিনি ইত্যাদি)। এ ছাড়া অস্বাভাবিক মূল্যছাড় বা ডিসকাউন্টে বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানেরও পণ্য বিক্রির নামে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করার নজির রয়েছে (যেমন ই–ভ্যালি)। অস্বাভাবিক ও অযৌক্তিক হারে উচ্চ মুনাফা প্রদান এবং রেফারেলের ভিত্তিতে কমিশন প্রদান করা পিরামিড বা পঞ্জি স্কিমের বা মাল্টি লেভেল মার্কেটিংয়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য, যা অতীব ঝুঁকিপূর্ণ ও গ্রাহকের বিনিয়োগ হারানোর নজির তৈরি করেছে। এ রকম প্রতারণামূলক ব্যবসায়ে লাভ থেকে মুনাফা না দিয়ে একদল গ্রাহকের বিনিয়োগের অর্থ থেকে আরেক দল গ্রাহককে তথাকথিত মুনাফা প্রদান করা হয়। এ ধরনের প্রতারণা মানি লন্ডারিংয়ের আওতাভুক্ত অপরাধ বিধায় অতীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া লাইসেন্স ব্যতীত আমানত সংগ্রহ তথা ব্যাংক ব্যবসা পরিচালনা ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১–এর ৩১ (১) ধারায় প্রদত্ত নির্দেশনার লঙ্ঘন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়েও একই ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিলক্ষিত হওয়ায় তা বর্তমানে অনুসন্ধানের আওতায় আনা হয়েছে। এমতাবস্থায় গ্রাহকের স্বার্থ সুরক্ষা বিবেচনায় দেশের জনসাধারণকে এই ধরনের প্রতিষ্ঠানসমূহের সঙ্গে লেনদেন করার ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত ও বিশেষভাবে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ প্রদান করা হলো।