কুম্ভমেলায় মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে উত্তাল ভারতের সংসদ
Published: 4th, February 2025 GMT
কুম্ভমেলায় পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে সোমবার উত্তাল হয়ে ওঠে ভারতের সংসদের লোকসভা ও রাজ্যসভা। সোমবার সংসদের দুই কক্ষেই বিরোধীরা মহাকুম্ভে মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সরকারকে চেপে ধরেন।
তারা দাবি জানান, পদপিষ্ট হয়ে কতজনের মৃত্যু হয়েছে, কতজনইবা নিখোঁজ আছেন– এর প্রকৃত সংখ্যা জানাতে। কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, তৃণমূল কংগ্রেসসহ বিরোধীরা উভয় কক্ষে কুম্ভ বিপর্যয় নিয়ে সরকারকে জবাবদিহির জন্য চাপ দেন।
বিরোধীদের অভিযোগ, ঘটনার পর পাঁচ দিন কেটে গেছে, আজ পর্যন্ত উত্তর প্রদেশ সরকার কতজনের মৃত্যু হয়েছে, কতজনই বা নিখোঁজ, সেই তালিকা প্রকাশ করেনি।
সরকারিভাবে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলা হলেও তাদের নামধাম প্রকাশ করেনি। বিরোধীদের দাবি, এ ঘটনায় শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। খবর- এনডিটিভি।
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: সরক র
এছাড়াও পড়ুন:
গাজার রাফা শহর খালি করার নির্দেশ ইসরায়েলি সেনার
ফিলিস্তিনের গাজার সর্বদক্ষিণের শহর রাফা এবং বেশ কয়েকটি পৌর এলাকা খালি করে বাসিন্দাদের অন্যত্র চলে যেতে নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। গতকাল সোমবার ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র এ কথা বলেছেন।
গত মাসে হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাতিল করে দেওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি সেনারা গাজার বিভিন্ন এলাকায় হামলা করা শুরু করে দিয়েছেন। এর আগে হামাসের সঙ্গে সংঘাত শুরু হওয়ার পর ইসরায়েলের হামলায় রাফা কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
ইসরায়েলি সেনারা প্রথমে রাফা থেকে চলে আসতে সম্মত হয়েছিলেন। মিসর থেকে এ এলাকায় অস্ত্র পাচার হয় দাবি করে তাঁরা জানিয়েছেন, সীমান্ত এলাকায় তাঁদের উপস্থিতি প্রয়োজন।
আরও পড়ুনঈদেও থেমে নেই হামলা, গাজায় নিহত অন্তত ৮০১৬ ঘণ্টা আগে হামাস–নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য দপ্তরের দাবিগত ১৮ মার্চ ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আবার গাজায় বিমান হামলা শুরু করে। এ হামলায় এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে হামাস–নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য দপ্তর। আর গত ৪৮ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৮০ জন।
স্বাস্থ্য দপ্তরের দাবি, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের হামলায় এ পর্যন্ত ৫০ হাজার ৩৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এর মধ্যে কতজন হামাস সদস্য ও কতজন বেসামরিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে, তা জানায়নি স্বাস্থ্য দপ্তর। মানবাধিকার সংগঠনগুলো মনে করছে, এই হিসাব মোটের ওপর ঠিক আছে।
গাজার ২৩ লাখ বাসিন্দার মধ্যে অর্ধেক শিশু। জাতিসংঘ জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।
আরও পড়ুনগাজায় যুদ্ধবিরতির নতুন প্রস্তাব মিসর-কাতারের৩০ মার্চ ২০২৫ যুদ্ধবিরতি শেষে ৩২২ শিশুর মৃত্যু, জানাল ইউনিসেফইউনিসেফ জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলের হামলায় ৩২২ শিশুর মৃত্যু ও ৬০৯ জন আহত হয়েছে। গতকাল ইউনিসেফ এক বিবৃতিতে বলেছে, এই শিশুরা মূলত ভেঙে পড়া বাড়ি বা তাঁবুতে ছিল।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ১৮ মার্চ থেকে নতুন করে বোমা হামলা ও ত্রাণ সাহায্য বন্ধ করে দেওয়ায় গাজায় ১০ লাখ শিশু হুমকির মুখে পড়েছে। যুদ্ধবিরতি গাজার শিশুদের কাছে আশার আলো নিয়ে এসেছিল। কিন্তু সেই শিশুরা আবার নতুন করে ভয়ংকর সহিংসতা চক্রের মধ্যে পড়েছে।
২ মার্চ থেকে গাজায় কোনো ত্রাণ সাহায্য পাঠাতে দেওয়া হচ্ছে না। এতে খাবার, পানি ও চিকিৎসা–সংকট বেড়েছে।
আরও পড়ুনঈদের দিন গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৬৮৩১ মার্চ ২০২৫