রূপগঞ্জের হাটাবো এলাকায় শনিবার দুপুরে মহিলা মেম্বার রুবির বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর আগেও ওই নারী মেম্বারের কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছে।

জানা যায়, শনিবার দুপুরে রুবি মেম্বার বাড়িতে না থাকার সুযোগে হাটাবো এলাকার কাইয়ুমের ছেলে আনিছ মোল্লা,  মৃত মানিক মিয়ার ছেলে রুবেল,  জাহিদ মাস্টারের ছেলে নিহাদের নেতৃত্বে ২৫/৩০ জন যুবক দেশীয় অস্ত্রেশস্ত্র সজ্জিত  হয়ে হামলা চালায়। 

এ সময় হামলাকারীরা ঘরে থাকা নগদ ৫ লাখ টাকা, ১২ ভরি স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান আসবাবপত্র লুটপাট করে নিয়ে গেছে। এ সময় বাড়ির আশপাশের লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা চলে যায়। 

রূপগঞ্জ থানার ওসি লিয়াকত আলী জানান, লোকমুখে শুনেছি।  তবে এ ব্যাপারে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
 
 

.

উৎস: Narayanganj Times

কীওয়ার্ড: র পগঞ জ ন র য়ণগঞ জ

এছাড়াও পড়ুন:

রাজধানীর মানিকনগরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় পথচারী নারী নিহত

রাজধানীর মুগদার মানিকনগরে রাস্তা পারাপারের সময় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় মোছা. সুমী আক্তার (২৫) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। সুমী টিউশনি করতেন। পাশাপাশি কোচিং সেন্টারে চাকরি করতেন বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় সুমীকে উদ্ধার করে দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

সুমীকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন মেজবাহ মোল্লা নামের এক প্রতিবেশী। তিনি বলেন, সুমী রাত সাড়ে ৯টার দিকে এলাকায় একটি টিউশনি শেষ করে বাসায় ফেরেন। পরে তাঁর আড়াই বছর বয়সী একমাত্র মেয়ের জন্য দোকান থেকে কেক কিনে বাসায় দিয়ে আবার আরেকটি টিউশনির জন্য বের হন। রাস্তা পারাপারের সময় ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশা তাঁকে ধাক্কা দেয়। তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়েন। গুরুতর আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, লাশটি কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

সুমী মুগদার বাসিন্দা সাজু মিয়ার মেয়ে। সুমী মানিকনগরের ওয়াসা রোডে পরিবার নিয়ে থাকতেন। তাঁর স্বামীর নাম মো. মাহফুজ রহমান।

সম্পর্কিত নিবন্ধ