বুড়িগঙ্গা নদী বিলুপ্তির পথে। তাই এ নদী এবং রাজধানী ঢাকার টিকে থাকার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে ‘অর্থনৈতিক কৌশল পুনর্গঠন এবং সমতা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য সম্পদ সংগ্রহ’ শীর্ষক টাস্কফোর্সের প্রতিবেদন হন্তান্তর করেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘আইনের অধীনে নদীগুলোকে সচল থাকার অধিকার প্রদানের  সঙ্গে সঙ্গে এই জরুরি পদক্ষেপগুলোকে সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিত করতে হবে। ঢাকার পুনরুদ্ধার তার নদী দিয়ে শুরু হোক।’ 

গ্রামীণ স্কুল ও ক্লিনিক সংস্কার সম্পর্কে প্রতিবেদনে একটি কমিউনিটি ক্লিনিকের সঙ্গে একটি গ্রামীণ সরকারি স্কুল সংস্কারের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে একটি পাইলট প্রকল্প শুরু করার প্রস্তাব করা হয়েছে। যদিও মৌলিক নীতিগুলো সরকারি হাসপাতালের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই উদ্যোগটিতে গ্রামীণ শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা পরিবেশের অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং গ্রামীণ শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা পরিবেশের উন্নয়ন জোরদার হবে। 

প্রসঙ্গত, উন্নয়ন কৌশল পুনর্গঠন, আর্থিক ব্যবস্থায় ফাঁকফোকর খুঁজে বের করা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারের জন্য ১০ সেপ্টেম্বর ১২ সদস্যের এই টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছিল।
 

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুইজনের মুত্যু 

চুয়াডাঙ্গায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ইয়াসিন আলী (২৪) ও মাহির তাজয়ার তাজ (১৫) নামে দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

বুধবার (২ এপ্রিল) চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নবিননগরে একটি ও গত ২৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে অপর দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত মাহির তাজওয়ার তাজ আলমডাঙ্গা উপজেলার গড়চাপড়া গ্রামের ইউসুফ আলী মাস্টারের ছেলে ও ইয়াসিন আলী  চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তালতলা গ্রামের দিদার আলীর ছেলে। 

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালিদুর রহমান, জানান, অসাবধানতা ও বেপরোয়া মোটরসাইকেল ড্রাইভ করতে যেয়ে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার বিকালে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নবিননগরে দুটি মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহির তাজওয়ার তাজ গুরুতর আহত হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। রাতে তার শারিরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে রাজশাহী নিয়ে যাওয়ার পথে রাত ৮ টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে মাহির মারা যায়। 

অন্যদিকে গত ২৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে ইয়াসিন আলী মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুতগামী ট্রাকের নিচে পড়ে যায়।  এসময় তার দুই পা ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে গুঁড়িয়ে যায়। তাকে প্রথমে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ৬ দিনের মাথায় বুধবার (২ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে ইয়াসিন মারা যায়। 

দুটি দুর্ঘটনায় কোনো পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের না করায় সুরতহাল রিপোর্ট শেষে স্ব স্ব পরিবারের কাছে তাদের মৃতদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। 

ঢাকা/মামুন/টিপু 

সম্পর্কিত নিবন্ধ