ময়মনসিংহ নগরীতে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বেরিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন দুই বন্ধু।

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে নগরীর দিগারকান্দা বাইপাস মোড় এলাকায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে তাদের মৃত্যু হয়। 

নিহতরা হলেন- নগরীর মাসকান্দা এলাকার বাবুল মিঞার ছেলে আবির হোসেন (২৩) ও পুরোহিত পাড়ার ইউসুফ আলীর ছেলে মেহেদী হাসান (২০)।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, দুই বন্ধু আবির ও মেহেদী মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। নগরীর মাসকান্দা থেকে চুরখাইয়ের দিকে যাওয়ার পথে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে জিগাতলা এলাকায় দ্রুত গতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে ছিটকে পড়ে। এ সময় ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

তিনি আরো বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে নিয়ে আসে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ দেওয়া হবে। দুর্ঘটনা কবলিত সিএনজি চালক পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

ঢাকা/মিলন/ইমন

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রকৃত সঞ্চয় বা রিজার্ভ (বিপিএম ৬ অনুযায়ী) বেড়ে ২০ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। দেশে মার্চ মাসে প্রবাসীদের রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। যার কারণে রিজার্ভ বেড়েছে। 

রবিবার (৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ বৃদ্ধির এ তথ‌্য নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বৈদেশিক মুদ্রার গ্রোস রিজার্ভ ২৫ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলারের বেশি। বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ বেড়ে  দাঁড়িয়েছে ২০ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি। ঈদের আগে গত ২৮ দেশের মার্চ গ্রোস রিজার্ভ ছিল ২৫ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি।

দেশে মার্চ মাসে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে ৩২৯ কোটি মার্কিন ডলার, দেশীয় মুদ্রার যার পরিমাণ ৪০ হাজার ৪৬৭কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসেবে)। একক মাস হিসেবে যা সর্বোচ্চ রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স। মার্চে যে পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে তা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৪ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। ২০২৪ সালের মার্চ মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার। গত ফেব্রুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫২ কোটি ৭৬ লাখ ডলার।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বাজারের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রাখায় বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল ছিল। বিশেষ করে ডলারের দাম ১২০-১২৩ টাকায় ছিল। এ ছাড়া, কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ রাখে। বিপরীত দিকে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে থাকে। যা রিজার্ভ বাড়ায় সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।

ঢাকা/এনএফ/এনএইচ

সম্পর্কিত নিবন্ধ