সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সম্পর্কগুলো আরেকটু প্রাণবন্ত করার সুযোগ খুঁজে নিতে পারেন। প্রেম, বন্ধুত্ব কিংবা দাম্পত্যে ভুল বোঝাবুঝি থাকবে। কোনো সম্পর্কই মসৃণভাবে এগোয় না। কখনও কখনও মনোমালিন্য প্রেম কিংবা অুনরাগেরই এক প্রকার প্রকাশ। কিন্তু রাগ পুষে রাখলে দূরত্ব বাড়বে। ইগো ধরে রাখতে গিয়ে বন্ধুত্ব হারাতে হতে পারে। অভিমান জমে জমে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। রাগ, অভিমান কিংবা দুঃখ সরিয়ে রাখার বেশ কয়েকটি ‍উপায় রয়েছে।

একজন নীরবতা ভাঙুন: সম্পর্কে স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে দুইজনের যেকোন একজনকে অবশ্যই নিরবতা ভাঙতে হবে। যেকোন বিষয় নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হতে পারে তাই বলে চুপ করে থাকবেন? এতে সম্পর্কে জটিলতা বাড়ে। নিরবতা ভাঙুন কোনো একটি ‘সফট ওয়ে’ খুঁজে বের করুন আর কথা বলতে শুরু করেন। এতেই সম্পর্কের বরফ গলা শুরু হবে!

ইগো সরিয়ে সম্পর্ককে গুরুত্ব দিন: ইগোকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো সম্পর্ক নষ্ট করে ফেলছেন কিনা ভাবুন। নিরব থাকার প্রয়োজন থাকলে নিরব থাকুন তবে অ্যাগ্রেসিভ হবেন না। স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করুন। আপনার আচরণে যেন ইগো প্রকাশ না পায়।

আরো পড়ুন:

বারিশ হকের এই লুকগুলো দেখেছেন

চাকরিজীবী নারীর ত্বকের যত্ন

দোষ থাকলে স্বীকার করুন: ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি যে কথা ধরে সেই কথার উৎস খুঁজুন। আসলে ভুল কার? যার ভুল তার উচিত স্বীকার করা। এতে সম্পর্কে ভুল স্বীকার করার প্রবণতা বাড়বে। সম্পর্ক স্বাভাবিক গতিতে এগিয়ে যাবে। ভুল স্বীকার করা সঙ্গী বা বন্ধুর প্রতি আপনার অনুরাগের প্রকাশ হতে পারে। 

খোলাখুলি কথা বলুন: সম্পর্কে জটিলতা তৈরি হলে খোলাখুলি কথা বলার চেষ্টা করুন। এতে জটিলতা দূর করা সহজ। কথা বলার এক পর্যায়ে দেখবেন সমস্যা মিটে গেছে। 

হয়তো ভুলটি দুইজনেরই। তাহলে দুইজনই দুইজনকে ক্ষমা করে দিন। না হলে একটি ভুলের কাছে হাজারো ভালো স্মৃতিরা হেরে যাবে। ভালো স্মৃতিগুলো স্মরণ করুন এতে ক্ষমা করা সহজ হবে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে

ঢাকা/লিপি

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর স ব ক র কর

এছাড়াও পড়ুন:

দিলীপ-সাধনার মরদেহের অপেক্ষায় স্বজনরা

বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছে এলাকাবাসী ও তার কিছু স্বজন। ভিতরে ঘরগুলোতে তালাবদ্ধ করে রাখা। অপেক্ষারত সকলেই নিহত দিলীপ কুমার ও তার স্ত্রীর মৃত্যুতে শোকাহত, কেউ কেউ খোঁজ নিচ্ছেন কখন পৌঁছাবে মরদেহ আর কেমন আছে চিকিৎসাধীন তাদের একমাত্র মেয়ে আরাধ্যা।
  
তবে বসতভিটায় দিলীপের বাবা-মা ও বোনরা না থাকায় চোখের জল ফেলার মতো ছিল না কেউ। বুধবার বিকেলে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা বোয়ালিয়া গ্রামে দিলীপ কুমারের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় এমন চিত্র।

একমাত্র মেয়ে আরাধ্যা, স্ত্রী সাধনা রানীসহ কয়েকজন নিকটা আত্মীয়কে নিয়ে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন দিলীপ কুমার (৪২)। বুধবার ভোরে টঙ্গী থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেও আনন্দের সেই যাত্রা থমকে যায় চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায়। সেখানে নিয়ন্ত্রণ হারানো একটি বাসের সঙ্গে তাদের বহনকারী মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে মৃত্যু হয় দিলীপ কুমার, তার স্ত্রী সাধনা রানীসহ ১০ জনের।

তবে এ ঘটনায় প্রাণ বেচে যায় দিলীপ-সাধনার একমাত্র মেয়ে আরাধ্যা (৬)। বর্তমানে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দিলীপ কুমার ও সাধনা রানী ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কাচেরকোল ইউনিয়নের বড়-বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। এর মধ্যে দিলীপ ওই গ্রামের দুলাল বিশ্বাসের ছেলে। 

বাবা-মা'র একমাত্র ছেলে দিলীপ কুমার। অন্য তিন বোন বিয়ের পর শ্বশুর বাড়িতে থাকেন। ১৫ বছর ধরে গাজীপুর জেলার টঙ্গী এলাকার একটি বাইয়িং হাউজে চাকরি করতেন। কয়েক বছর পর নিজেই ছোট পরিসরে বাইয়িং হাউজ গড়ে তোলেন বলে জানায় এলাকাবাসী। 

দিলীপের কাকাতো ভাই পলাশ কুমার বলেন, দিলীপ তার পরিবার নিয়ে প্রায়ই এলাকায় আসত। তার বাবা-মা কখনও ছেলের বাসায় আবার কখনও মেয়ের বাসায় থাকেন। তারা গ্রামে কম থাকেন। আমরা আনুমানিক ১১টার দিকে দুর্ঘটনার কথা শুনে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি দিলীপ ও তার স্ত্রী মারা গেছেন। তাদের মেয়ে আরাধ্যা চিকিৎসা নিচ্ছে চট্টগ্রাম মেডিকেলে।

দিলীপের বন্ধু শোভন কুমার কাজল বলেন, তাদের মরদেহ আনার কার্যক্রম চলছে। শুনেছি লোহাগাড়া থানা থেকে মরদেহ নিয়ে রওনা হয়েছে। ছোট্ট আরাধ্যার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।
 

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • দিলীপ-সাধনার মরদেহের অপেক্ষায় স্বজনরা
  • জাতীয় ঐক্য যে কারণে জরুরি
  • ড. ইউনূস যেভাবে আরও পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকতে পারেন