রূপগঞ্জের পূর্বাচলে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ক্রোকারিজ ও ব্লেজার দোকানের কর্মচারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশসহ উভয় পক্ষের ২২ জন আহত হয়েছে। 
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বাণিজ্য মেলায় এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে লাঠিচার্জ করে। ঘটনাস্থল থেকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করতে রাকিব ও হাবিব নামে দু’জনকে আটক করা হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় মেলায় আগত দর্শনার্থীদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ‘বিএম কালেকশন’ ও ‘আশিক ফ্যাশন’ নামে ক্রোকারিজ ও ব্লেজারের দোকানের কর্মচারীরা নিজেদের দোকানে ক্রেতা নেওয়াকে কেন্দ্র করে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এর জেরে এ দুই দোকানের কর্মচারীরা লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। তারা একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এ সময় অন্তত ২২ জন আহত হয়।  
জেলা ‘গ’ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মেহেদী ইসলাম বলেন, দোকানে ক্রেতা টেনে নেওয়ার মতো তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্রোকারিজ ও ব্লেজার দোকানের কর্মচারীদের মাঝে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। 

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: স ঘর ষ স ঘর ষ

এছাড়াও পড়ুন:

 সোনারগাঁয়ে যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যা চেষ্টা, স্বামী গ্রেপ্তার

সোনারগাঁয়ে যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যা চেষ্টায় স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ভূক্তভোগী সাদিয়া আক্তার বাদী হয়ে স্বামী ও শাশুড়িকে আসামি করে সোনারগাঁ থানায় মামলা দায়েরের পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

পুলিশ মাদকাসক্ত স্বামী উজ্জ্বল মিয়াকে গ্রেপ্তার করলেও তার মা মনোয়ারা বেগম (৬০) পলাতক রয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত উজ্জলকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে।

ভূক্তভোগী সাদিয়ার মা জানান, মোগরাপাড়া ইউনিয়নের দমদমা এলাকার মৃত শাহজাহান মিয়ার ছেলে উজ্জলের সঙ্গে তার মেয়ে সাদিয়াকে দুই বছর আগে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের পর থেকেই ৩ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য সাদিয়াকে শারিরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছে।

গত বুধবার বিকেলে তার শাশুড়ি ও জামাই মিলে হত্যার উদ্দেশ্যে রড ও কাঠের টুকরো দিয়ে বেধড়ক মারধর করে৷

তিনি আরও জানান, উজ্জল মাদকাসক্ত। তাকে বেশ কয়েকবার রিহ্যাবে রেখে চিকিৎসা করার পরও সে মাদক সেবন করছে। মাদকাসক্ত অবস্থায় তার মেয়েকে পেটানোর সময় স্থানীয়রা তার চিৎকারে এগিয়ে আসলে আবার অত্যাচার শুরু করে শাশুড়ি।

পরবর্তী এলাকাবাসী তার মোবাইলে বিষয়টি জানালে শশুর বাড়ি গিয়ে মেয়েকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি। বর্তমানে তার মেয়ে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। মেয়েকে হত্যা চেষ্টার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করি।

সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাশেদুল হাসান খান বলেন, খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ভূক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করেছি। অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠিয়েছি।
 

সম্পর্কিত নিবন্ধ