Risingbd:
2025-04-03@02:09:27 GMT

ঢাকা দক্ষিণে তারুণ্যের উৎসব 

Published: 30th, January 2025 GMT

ঢাকা দক্ষিণে তারুণ্যের উৎসব 

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৭৫টি ওয়ার্ডে তারুণ্যের উৎসব, ২০২৫ উদযাপন করা হয়েছে।  

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) ডিএসসিসির তথ্য কর্মকর্তা জোবায়ের হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।  

তারুণ্যের উৎসবের অংশ হিসেবে গত ১১ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডে ‘তারুণ্যের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন করা হয়। স্কুল ও মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে ‘জনস্বাস্থ্য রক্ষায় স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার হাত ধোয়ার চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ শীর্ষক আন্তঃস্কুল বিতর্ক এবং কলেজ পর্যায়ে ‘ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের চেয়ে ব্যক্তিগত সচেতনতাই অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ শীর্ষক বিতর্কের আয়োজন করা হয়।

এক সপ্তাহে ৪ হাজার ৭৮৪ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও ২৬২৬ জন মশক নিধনকর্মী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি লার্ভিসাইডিং ও এডাল্টিসাইডিং কার্যক্রমে অংশ নেন। 

২৫ জানুয়ারি থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত ডিএসসিসি ও তরুণ স্বেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতায় বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়।

এছাড়াও ২৫ জানুয়ারি থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ডিএসসিসির আওতাধীন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় রচনা, কুইজ, জুলাই আন্দোলন-সংক্রান্ত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রশাসন শাখা-১ এর পরিপত্র অনুযায়ী ৭৫টি ওয়ার্ডে তারুণ্যের উৎসব আয়োজনের এ উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। 

ঢাকা/এএএম/রফিক

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ত র ণ য র উৎসব ড এসস স

এছাড়াও পড়ুন:

ঈদে সেই সুযোগ এখন আর হয় নেই: ন্যান্সি

ঈদ এলেই উৎসবের রং ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। সাধারণ মানুষের মতো পর্দার মানুষগুলোও এই দিনটিকে ঘিরে সাজিয়ে রাখেন বিশেষ পরিকল্পনা। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে আড্ডা, ঘুরে বেড়ানো-সব মিলিয়ে ঈদ মানেই বাড়তি আনন্দ। তবে আগের মত ঈদের আনন্দ এখন নেই বলে জানালেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি।

ন্যান্সি সমকালকে বলেন, ‘এবার ঈদ ঢাকায় করছি। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর থেকেই ঢাকায় ঈদ করি। আমরা যারা ঢাকার বাইরে থেকে আসি, ঈদে তারা নিশ্চয় গ্রামের বাড়িতে যান। আমাদের কিন্তু সেই সুযোগ নেই। আমরা কিন্তু চাইলেই যেতে পারি না।’

ছোটবেলা ও এখনকার ঈদের মধ্যে পার্থক্য বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ছোট-বড়বেলা ঈদের মধ্যে অনেক পার্থক্য। আমি একটা জিনিস বুঝেছি, বাবা-মাকে ছাড়া ঈদ করা কঠিন। আমার বাবা-মা তো বেঁচে নেই আমি কোথায় যাবো। যেকোনো উৎসবে অনেক বেশি খারাপ লাগে। তবে এখন সন্তানরাই আমার সব। সন্তান ও পরিবার নিয়েই এখন আমার ঈদ।’

ন্যান্সির কথায়, ‘একটা সময় আমার মা-বাবাই সব ধরনের খোঁজ-খবর নিতেন। ঈদের দিন বা পরের দিন আমি তাদের বাড়ি যেতাম, নয়তো তারা আমার বাড়ি আসতেন। অনেক হইহুল্লো করে দিন যেতো। কিন্তু এখন তো আর সেটা নেই।’

ন্যান্সি বলেন, ‘শুধু তাই নয়, আমিসহ আমার বাচ্চাদের টেনশন ছিল তাদেরই। এই যে একটা ঈদ আসলো, মা যে কত কিছু করতেন তা বলে বোঝানো যাবে না। আমার টিভি অনুষ্ঠানসহ সব কিছু মা খেয়াল রাখতেন। একটা গান আসলে আমার মায়ের যে উচ্ছ্বাস আমি দেখেছি তার আর কারও মধ্যে দেখিনি।’

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • উৎসবের পর শূন্য অনুভব করা বা পোস্ট-ফেস্টিভ‍্যাল ব্লুজ কাটাবেন কীভাবে
  • রান্না-খাওয়া পর্ব ভিন্ন আঙ্গিকে চিন্তা করলে নারীরাও আনন্দ করতে পারবেন
  • উৎসবে হজমের সমস্যা এড়াতে যা করবেন
  • ছোটবেলার ঈদ ঝামেলাবিহীন, সহজ-সরল ছিল: নুসরাত ফারিয়া
  • দল বেঁধে বেড়ানোর যে উৎসব ছিল, তা আর নেই, কী কঠিন বড় হওয়াটা
  • উৎসবে পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও হতাশা কাটাতে করণীয়
  • আগামী বছর থেকে আরও বড় পরিসরে ঈদ আয়োজন করা হবে: আসিফ মাহমুদ
  • একটা জিনিস বুঝেছি, বাবা-মা ছাড়া ঈদ করা কঠিন: ন্যান্সি
  • সেই সুযোগ এখন আর হয় নেই: ন্যান্সি
  • ঈদে সেই সুযোগ এখন আর হয় নেই: ন্যান্সি