জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত সবুজের লাশ উত্তোলন
Published: 29th, January 2025 GMT
দাফনের প্রায় ছয় মাস পর আদালতের নির্দেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ঢাকার আশুলিয়ায় নিহত সবুজ মিয়ার লাশ জামালপুরের মেলান্দহ থেকে উত্তোলন করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বিকালে মেলান্দহ উপজেলার ফুলকোঁচা ইউনিয়নের পূর্ব কোনামালঞ্চ এলাকা থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়। নিহত মো. সবুজ মিয়া পূর্ব কোনামালঞ্চ এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় শ্রমিকের কাজ করতেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত বছরের ৫ আগস্ট বিকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে আশুলিয়া থানা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন সবুজ মিয়া। পরে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। পরের দিন ৬ আগস্ট তাকে নিজ গ্রামে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।
আরো পড়ুন:
দু’ শিশু সন্তানকে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা
দনিয়া কলেজের সামনে প্রকৌশলীকে কুপিয়ে হত্যা
নিহত সবুজ মিয়ার মা জরিনা বেগম এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসহ দোষী ব্যক্তিদের শাস্তির দাবি করেন।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুর আলম সিদ্দিকী সাংবাদিকদের বলেন, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে।
মেলান্দহ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) তাসমীন জাহান বলেন, তদন্তের প্রয়োজনে আদালতের নির্দেশে লাশটি উত্তোলন করা হয়েছে।
সবুজ মিয়া হত্যার ঘটনায় তার মা জরিনা বেগম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় ৫১ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
ঢাকা/শোভন/বকুল
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর সব জ ম য় তদন ত
এছাড়াও পড়ুন:
চরমপন্থা নিয়ে সতর্কতায় কাজ না হলে সরকার অবশ্যই হার্ডলাইনে যাবে: তথ্য উপদেষ্টা
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, ‘সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বাংলাদেশে চরমপন্থার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ সুযোগ কাউকে নিতে দেওয়া হবে না। আমরা চেষ্টা করব বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উগ্রপন্থা যেন মাথাচাড়া দিতে না পারে। নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা যেন গণতান্ত্রিক রূপান্তরের ভূমিকা রাখতে পারি। যদি আলোচনা-সতর্কতায় কাজ না হয়, যদি দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হয়, সরকার অবশ্যই হার্ডলাইনে যাবে।’
বুধবার কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার উত্তর রামপুর গ্রামে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মাসুম মিয়ার কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘শহীদের চেতনা যেন বাংলাদেশের জনগণ ধারণ করে। আমরা চেষ্টা করব, গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের বিচার কাজ যেন শেষ করে যেতে পারি। শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ বিনির্মাণে এ সরকারের চেষ্টা আছে। জনগণ এটার সঙ্গে আছে। এ চেতনার সঙ্গে রাজনৈতিক দলের নেতারা সদিচ্ছা প্রকাশ করলে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গঠন করব।’
গণমাধ্যমের সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যতদিন আছি, আমরা চাইব গণমাধ্যমের একটি গুণগত সংস্কারের জন্য। গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের পর্যালোচনা ও প্রস্তাবনায় মফস্বল ও কেন্দ্র নিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা আছে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান, বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া খানম, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন কুমিল্লা মহানগরের আহ্বায়ক আবু রায়হান ও সদস্য সচিব রাশেদুল হাসানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।