বন্দরে বিএনপি নেতা ওয়ারিশ উদ্দিন রাজু’র ইন্তেকাল
Published: 29th, January 2025 GMT
বন্দরের ২৪নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা ওয়ারিশ উদ্দিন রাজু (৫৫) আর নেই। বুধবার সকাল ৯টায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার নবীগঞ্জ উত্তর পাড়াস্থ নিজ বাস ভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
ইন্নালিল্লাহি......রাজিউন। মৃত্যুকালে ওয়ারিশ উদ্দিন রাজু স্ত্রী,১ছেলে,২মেয়েসহ অগণিত গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বাদ আছর নবীগঞ্জ বাগের জান্নাত জামে মসজিদে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
জানাজার নামাজ পরিচালনা করেন বাগে জান্নাত জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মোঃ রবিউল ইসলাম। মরহুমকে শেষ বিদায় জানাতে তাকে এক নজর দেখার জন্য ছুটে যান বন্দর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মহানগর বিএনপি নেতা আতাউর রহমান মুকুল, ২৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ রাসেল, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হানিফ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক, মোক্তার হোসেন, জান্নাতুল রাজিব, জনেজনে নাট্য সম্প্রদায়ের সভাপতি মহিউদ্দিন খোকাসহ এলাকার সর্বস্তরের গণমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উৎস: Narayanganj Times
কীওয়ার্ড: ন র য়ণগঞ জ ব এনপ
এছাড়াও পড়ুন:
‘‘মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধ করে দেন, জনগণ আস্ত একটা মিডিয়া’’
গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পিংকি আক্তার গত বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার ভাটারা থানায় অভিযোগ করেছেন। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। এরপর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন পরীমণি। এ সময় বেশ কয়েকবার আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এই নায়িকা।
২১ মিনিট ৬ সেকেন্ডের দীর্ঘ ফেসবুক লাইভে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ আইনিভাবে মোকাবিলার কথা জানান পরীমণি। এ সময় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গণমাধ্যমের বিরুদ্ধেও। অভিনেত্রীর ক্ষোভ মূলত তার বক্তব্য ছাড়া কেবল অভিযোগকারীর লিখিত অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে খবর প্রকাশ করায়।
ফেসবুক লাইভের শুরুতেই নিজের টিমের সদস্যদের প্রসঙ্গে পরীমণি বলেন, “আপনারা আমার বিগত জীবনযাপন দেখলেই বুঝবেন, কোনো আত্মীয়স্বজন নিয়ে আমার জীবনযাপন না, আমার পুরো পরিবারটাই হলো আমার স্টাফদের নিয়ে। বিভিন্ন বিশেষ দিবসে তাদের নিয়ে লেখালেখি করতাম। মাদার্স ডে, ফাদার্স ডে যা–ই বলেন না কেন, কারণ আমি তাদের নিয়েই থাকি। সেখানে একজন আমার গৃহকর্মী, যে এক মাসও হয়নি। না আসলে...সে দাবি করতেই পারে, তবে আমি বলব সে আমার গৃহকর্মী না।”
অভিনেত্রী আরো বলেন, “আমার হাতে সব প্রমাণ আছে, কিন্তু দিতে চাচ্ছি না কেন জানেন, কারণ আমি আইনের ওপর শ্রদ্ধাশীল।’’
থানায় সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে পরীমনিকে নিয়ে গণমাধ্যম যেভাবে খবর প্রকাশ করেছে, এতে তিনি মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছেন বলেও এ সময় অভিযোগ করেন।
পরীমনি বলেন, “আমরা কি একটু ওয়েট করতে পারতাম না, যারা মিডিয়াকর্মী ছিলাম। তারা আমাকে যেভাবে টর্চারটা করল, যেভাবে ফলাও করে ওই নিউজটা করা হলো, যেভাবে তার ইন্টারভিউ করা হলো; তার মানে কি আমরা মিডিয়াকর্মী হয়ে তাকে প্রিভিলেজ দিচ্ছি না? যে কেউ যে কারও বিরুদ্ধে জিডি করলেই সাথে সাথে এটা জাস্টিফাই হয়ে যাবে? এতে আমি ছোট হয়েছি বা বড় হয়েছি তা না, আমি যদি অন্যায় করি ডেফিনেটলি আমার শাস্তি পাওয়া উচিত। যে কেউ অভিযোগ করতেই পারে, কিন্তু সেটা প্রমাণিত হওয়ার আগেই আপনি তাকে দোষী সাব্যস্ত করে দেবেন?”
বৃহস্পতিবার রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার দিকে বাসায় পুলিশ এসেছিল বলে লাইভে জানান পরীমণি। তিনি বলেন, “পুলিশ সদস্যরা বাসার সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন।” ফেসবুক লাইভের শেষ দিকে বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পরী। বলেন, “এত মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধ করে দেন, জনগণ কিন্তু আস্ত একটা মিডিয়া।”
ঢাকা/রাহাত