নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে অবৈধ পলিথিন কারখানায় অভিযান চালিয়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে ১৪৩ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন ও ৪২৫৭ কেজি পলিথিন তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুর রহমান। 

এর আগে, মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার চৌমুহনী বাজারের নিপু প্রিন্ট অ্যান্ড প্যাকেজিং কারখানায় এ অভিযান চালানো হয়। 

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চৌমুহনী বাজারের হকার্স মার্কেটে নিপু প্রিন্ট অ্যান্ড প্যাকেজিং কারখানায় অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে নিষিদ্ধ পলিথিন তৈরির দায়ে প্রতিষ্ঠানের মালিককে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে ২ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযানে মোট ৪ হাজার ৪০১ কেজি পলিথিন ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ মুরাদ ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযানে নোয়াখালী জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মিহির লাল সরদার ও বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.

আরিফুর রহমান জানান, এই কারখানায় অবৈধভাবে পলিথিন তৈরি করা হয়, এমন অভিযোগে তাদের উপর নজরদারী ছিলো। কিন্তু তারা দিনের বেলায় কারখানা বন্ধ রাখে। তাই অভিযান সফল করা যাচ্ছিলো না। অভিযান এড়াতে রাতের বেলায় অবৈধ পলিথিন তৈরি করে তারা। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়।

ঢাকা/সুজন/ইমন 

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর উপজ ল

এছাড়াও পড়ুন:

চলন্ত অটোরিকশায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, নারী-শিশুসহ দগ্ধ ৬

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় একটি চলন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশার গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অটোরিকশার যাত্রী নারী, শিশুসহ ছয়জন দগ্ধ হয়েছে। আজ বুধবার বিকেল পাঁচটার দিকে চৌমুহনী পৌরসভার কন্ট্রাক্টর মসজিদ এলাকায় ওই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন সেলিনা বেগম (৩২), তাঁর ছেলে মো. শাহরিয়ার (১২), মেয়ে হৃদি (১৪), হৃদিকা (১৪ মাস), বোনের মেয়ে লামিয়া (১৪) ও বোনের ছেলে (৬)। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাঁদের উদ্ধার করে গুরুতর পাঁচজনকে নোয়াখালীর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দগ্ধ সেলিনা বেগমের দেবর তাহিদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, আজ বিকেল পাঁচটার দিকে তাঁর ভাবি নিজের এবং বোনের সন্তানদের নিয়ে সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশা নিয়ে চৌমুহনী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চাপরাশির বাড়ি থেকে কন্ট্রাক্টর মসজিদ এলাকায় বোনের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। তাঁদের অটোরিকশাটি কন্ট্রাক্টর মসজিদের পশ্চিমে পৌঁছালে হঠাৎ অটোরিকশার গ্যাস সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ ঘটে।

জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা রাজীব আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ নারী, শিশুসহ পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর তাঁদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের শরীরের ৫-৭ শতাংশ পুড়ে গেছে। সবাই আশঙ্কামুক্ত।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিটন দেওয়ান প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে ঘটনার বিষয়ে থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • চলন্ত অটোরিকশার সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৬
  • নোয়াখালীতে অটোরিকশার সিলিন্ডার বিস্ফোরণে পাঁচ শিশু আহত
  • চলন্ত অটোরিকশায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, নারী-শিশুসহ দগ্ধ ৬