রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মদ শাহজাহান। একইস‌ঙ্গে বাসুদেব বনিককে পুলিশ সদরদপ্তরে টিআর প‌দে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জা‌রি করা হ‌য়ে‌ছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. মাহবুবুর রহমান প্রজ্ঞাপনে সই করেন। এতে বলা হয়, পুলিশ স্টাফ কলেজের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহানকে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। 

একই প্রজ্ঞাপনে রংপুর পিটিসির কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) বাসুদেব বনিককে পুলিশ সদরদপ্তরে টিআর পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা/নঈমুদ্দীন/ইমন 

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ড আইজ

এছাড়াও পড়ুন:

যতই টাই-স্যুট পরা হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

যতই টাই-স্যুট পরা হোক। আইন হাতে নিলে কাউকে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)। আজ বৃহস্পতিবার রাঙামাটিতে বিজিবি সদর সেক্টর সদরদপ্তরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বড় সমস্যা হচ্ছে চাঁদাবাজি। এ অঞ্চলে যত সহিংসতার ঘটনা ঘটছে তার মূলে রয়েছে চাদাবাজি। এটি বন্ধ করা না গেলে কোনোদিনই এখানে সমস্যা সমাধান হবে না। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পাহাড় ও সমতলে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার বন্ধের পদক্ষেপ নিতে হবে। ৫ আগস্টের সময় সমতলে অনেক থানা থেকে অস্ত্র লুট হয়েছে, সেগুলো এখনো উদ্ধার হয়নি। এগুলো উদ্ধার করা গেলে অনেক সমস্যা সমাধান হবে। তবে এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে; কোনো অবস্থাতে চাঁদাবাজকে ছাড় দেওয়া না হয়। সে যতই টাই-স্যুট পরা হোক। আইন হাতে নিলে কাউকে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ভারতীয় মিডিয়া মিথ্যা সংবাদ, গুজবের জন্য দায়ী। তাদের কয়েকটি মিডিয়া রয়েছে; তাদের কাজ হলো শুধু গুজব রটানো। তাই, আপনাদের (সাংবাদিকরা) সঠিক সংবাদ দিয়ে গুজবকে হটাতে হবে। আপনাদের ভালো ভালো সংবাদ দিয়ে ওদের মুখ বন্ধ করে আনছেন। সঠিক সংবাদ আমাদের জন্য ভালো, দেশের জন্যও ভালো।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, পার্বত্যাঞ্চলের জীবনমানের উন্নয়ন দরকার। গরীবের জন্য যে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়, সেগুলো ডেনো সঠিকভাবে পৌঁছে। তার জন্য মনিটরি করা হবে। কোনো অবস্থাতেই দুর্নীতি টলারেট করা হবে না। তবে এখানে সাধারণ মানুষের জীবনমান যতটুক উন্নতি হয়েছে সেনাবাহিনীর দ্বারা হয়েছে। উন্নয়ন হয়েছে শহরকেন্দ্রিক। এ অঞ্চলে যে বনাঞ্চল ছিল; তা আজ মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে।

এর আগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা চট্টগ্রাম রিজিয়নের আওতাধীন বিজিবির বাঘাইহাট ব্যাটালিয়ন, সাজেক বিওপি এবং রাঙামাটি সেক্টর সদরদপ্তর পরিদর্শন করবেন। এছাড়া স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সম্প্রতি আগুনে পুড়ে সাজেক পর্যটন কেন্দ্র ও ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা ও বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীসহ ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • যতই টাই-স্যুট পরা হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা