কর্মবিরতি প্রত্যাহার, ট্রেন চলাচল শুরু
Published: 29th, January 2025 GMT
রেলের রানিং স্টাফরা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বুধবার রাত পৌনে ৩টায় সমকালকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রেলওয়ে রানিং স্টাফ এবং কর্মচারী শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান।
এর আগে রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে রেলের স্টাফদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণা আসে। দুই পক্ষের মধ্যে মধ্যস্ততা বৈঠকে ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও বিএনপির চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শিমুল বিশ্বাস।
মুজিবুর রহমান সমকালকে বলেন, কর্মবিরতি প্রত্যহারের সঙ্গে সঙ্গে কাজে ফিরেছেন রানিং স্টাফরা। ভোররাত থেকেই ট্রেন চলাচল শুরু। উপদেষ্টা আশ্বস্ত করেছেন বুধবার মধ্যে দাবি পূরণ করে রানিং স্টাফদের ভাতা ও পেনশন সুবিধার পুরোনো নিয়ম পুনর্বহালে সরকারি আদেশ জারি হবে।
এর আগে রাত সোয়া ২টার দিকে ফেসবুক স্ট্যাটাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ লেখেন, রেল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার। শ্রমিক নেতাদের সাথে নিয়ে আমরা রেলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমস্যার সমাধান করতে রেল উপদেষ্টার সাথে দেখা করেছি। এ বিষয়ে প্রেস কনফারেন্স রাত ২টা ৩০ মিনিটে।
পুরোনো নিয়য়ে ভাতা ও পেনশন সুবিধা পুনর্বহালের দাবি সোমবার মধ্যরাত থেকে কর্মবিরতি শুরু করেন রানিং স্টাফরা। সারাদেশে প্রায় ২৭ ঘন্টা সবধরনের ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। তিন শতাধিক যাত্রীবাহী ট্রেনের যাত্রা বাতিল হয়। দুর্ভোগে পড়েন লাখো যাত্রী।
.
উৎস: Samakal
এছাড়াও পড়ুন:
থাইল্যান্ড ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে’র সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
প্রেস সচিব বলেন, বিমসটেক বে অফ বেঙ্গলকে ঘিরে একটা রিজনাল গ্রুপ। এই গ্রুপের যথেষ্ট পটেনশিয়ালিটি আছে। সেই পটেনশিয়ালিটিটা আমরা আসলে অর্জন করতে পারিনি। প্রফেসর ইউনূস এটার ওপর আরও জোর দেবেন। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হওয়ার পর থেকেই বলেছেন যে, আমাদের আশপাশে যে সার্ক আছে, বিমসটেক আছে, সেগুলোকে যেকোনোভাবে হোক আরও সক্রিয় করতে হবে। যাতে করে বাংলাদেশ তার রিজনাল কোঅপারেশন ফ্রেমে তার কথাগুলো বলতে পারে। তাদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পিপল টু পিপল কো-অপারেশনগুলো আরও দৃঢ় হয়। এই জায়গা প্রফেসর ইউনূসের একটা স্পষ্ট পলিসি আছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামনে সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ইউএসের পক্ষ থেকে বিগিনিং অব কনভেন্সেশনে আমরা এটা যাচাই-বাছাই করছি, যার কারণে আমরা এমনভাবে মুভ নিচ্ছি। আমরা মনে করি, ইউএসের সঙ্গে সামনে সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। আমরা এ বিষয় নিয়ে এমন একটা সলিউশনে যাব, যাতে দু’পক্ষের জন্য উইন উইন হয়। আমরা আশাবাদী, যা হবে তা দু’পক্ষের জন্য মঙ্গলজনক হবে।