শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ২৪ এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও জিয়াফত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘বিপ্লবী সংস্কৃতিক মঞ্চ’ এর উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে তিনটি গরু ও দুইটি ছাগল জবাই করা হয়েছে। নিবন্ধনের মাধ্যমে দেড় হাজারের বেশি শিক্ষার্থী এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শাবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড.

মো. সাজেদুল করিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সৈয়দ সলিম মোহাম্মদ আবদুল কাদির, শাহপরাণ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইফতেখার আহমেদ, সিলেট অনলাইন প্রেস ক্লাব সভাপতি গোলজার আহমেদ হেলাল, বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহসিনা রুশদীর লুনা, শাবিপ্রবি শিবিরের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম সুজন প্রমুখ।

অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম বলেন, “ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর তাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। জাতীয় স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি।”

তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। নতুন প্রশাসন শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, যেন ফ্যাসিজমের পুনরাবৃত্তি না হয়।”

ঢাকা/ইকবাল/মেহেদী

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

চরমপন্থা নিয়ে সতর্কতায় কাজ না হলে সরকার অবশ্যই হার্ডলাইনে যাবে: তথ্য উপদেষ্টা

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, ‘সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বাংলাদেশে চরমপন্থার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ সুযোগ কাউকে নিতে দেওয়া হবে না। আমরা চেষ্টা করব বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উগ্রপন্থা যেন মাথাচাড়া দিতে না পারে। নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা যেন গণতান্ত্রিক রূপান্তরের ভূমিকা রাখতে পারি। যদি আলোচনা-সতর্কতায় কাজ না হয়, যদি দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হয়, সরকার অবশ্যই হার্ডলাইনে যাবে।’

বুধবার কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার উত্তর রামপুর গ্রামে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মাসুম মিয়ার কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। 

উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘শহীদের চেতনা যেন বাংলাদেশের জনগণ ধারণ করে। আমরা চেষ্টা করব, গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের বিচার কাজ যেন শেষ করে যেতে পারি। শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ বিনির্মাণে এ সরকারের চেষ্টা আছে। জনগণ এটার সঙ্গে আছে। এ চেতনার সঙ্গে রাজনৈতিক দলের নেতারা সদিচ্ছা প্রকাশ করলে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গঠন করব।’

গণমাধ্যমের সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যতদিন আছি, আমরা চাইব গণমাধ্যমের একটি গুণগত সংস্কারের জন্য। গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের পর্যালোচনা ও প্রস্তাবনায় মফস্বল ও কেন্দ্র নিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা আছে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান, বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া খানম, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন কুমিল্লা মহানগরের আহ্বায়ক আবু রায়হান ও সদস্য সচিব রাশেদুল হাসানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • সংস্কার আসতে পারে ভোটারের বয়সেও
  • চরমপন্থা নিয়ে সতর্কতায় কাজ না হলে সরকার অবশ্যই হার্ডলাইনে যাবে: তথ্য উপদেষ্টা